প্রচ্ছদ বিনোদন

চলে গেলেন প্রিয় চিত্রনায়ক মিঠুন

বিএ নিউজ: সংস্কৃতি অঙ্গনের লাখো ভক্তদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, গীতিকার, সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঢালিউডের জনa610 শেখ আবুল কাশেম মিঠুনের লাশ রাতেই তাঁর গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় পৌঁছাবে। গতকাল রোববার রাত ২ টার দিকে কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

মিঠুনের ছোট ভাই শেখ ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি এবং লিভার সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। উন্নত চিকিৎসার্থে তিনি গত ১৯ মে কলকাতায় যান। সেখানে প্রথমে বিশিষ্ট কার্ডিয়াক সার্জন প্রফেসর ডা. পি বি শুকলা এবং পরে কোঠারী হাসপাতালের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শেখ শামীমুল হকের চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে কলকাতা থেকে নিহতের লাশ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মরাদেশ সাতক্ষীরা হয়ে তার গ্রামের বাড়ি আশাশুনির দরগাহপুর গ্রামে পৌঁছাতে পারে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে পিতা শেখ আবুল হোসেনের কবরের পাশে দাফন করার কথা রয়েছে।

তিনি গত ১১ মে সোমবার অসুস্থ মা হাফেজা খাতুনকে দেখতে খুলনার নিরালায় আসেন। বুধবার তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁকে খুলনায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। সেখানে সোমবার পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৯ মে মঙ্গলবার সকালে তাকে ভারতে পাঠানো হয়।

শেখ আবুল কাশেম মিঠুন ১৯৫১ সালের ১৮ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে খুলনা থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিকে লেখালেখির মধ্যদিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। ১৯৮০ সালে ‘তরুলতা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মিঠুন রূপালী পর্দায় আসেন। পর্যায়ক্রমে তিনি চ্যালেঞ্জ, নরম গরম, গৃহলক্ষী, চন্দনা, ডাকু, স্বর্গ-নরক, দিদার, স্যারেন্ডার, বাবা কেন চাকর, বেদের মেয়ে জোৎস্না ইত্যাদি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

এছাড়া ‘ঈদ মোবারক’, ‘ভেজা চোখ’, ‘নিকাহ’, ‘কুসুমকলি’, ‘প্রেম প্রতিজ্ঞা’, ‘নিঃস্বার্থ’, ‘সাক্ষাৎ’, ‘স্বর্গনরক’, ‘ত্যাগ’, ‘চাকর’, ‘জিদ’, ‘চাঁদের হাসি’, ‘নরম গরম’, ‘গৃহলক্ষ্মী’, ‘এ জীবন তোমার আমার’, ‘খোঁজ খবর’, ‘ছোবল’, ‘কসম’, ‘দিদার’ ও ‘পরিচয়’ ইত্যাদি ছবি সারাদেশে ব্যাপক সাড়া জাগায়। তার মৃত্যুতে গোটা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। রূপালি পদা ছেড়ে বর্তমানে তিনি ইসলামী অনুকরণে সাধা-সিধে জীবন জাপন করতেন।

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

বিনোদন : সকল সংবাদ

আজকের এই দিনে
লোকে-যারে-বড়-বলে-বড়-সেই-হয়
আবদুল আউয়াল ঠাকুর : বাংলা প্রবচন হচ্ছে, আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়, লোকে যা বড় বলে বড় সেই হয়। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন হওয়ার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি কেন্দ্র করে এমন কিছু...