প্রচ্ছদ  >>   ফেসবুকের  নির্বাচিত স্ট্যাটাস

বিএনপির সি গ্রেডের নেতাদের নোংরামী

উপদেষ্টার নামে এরা কারা আমেরিকায় বি এন পি র নামে হচ্ছেটা কি। আজকের ঠিক একদিন আগে এই লেখাটি লিখলে স্বল্প জানা অথবা স্বাধীনতার images8GBOGND7আগে থেকে বি এন পি করছেন এমন ভাব দেখানো হাই ব্রীড নেতারা ফাল দিয়ে উঠতেন। আজ আমাদের সময় পত্রিকায় যে নিউজ বের হয়েছে তা পড়ার পর বোধ হয় জিয়া প্রেমীরা আর এটাকে মেনে নিতে পারবে না। সবার মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাবে “ ম্যডাম ও তারেক জিয়ার কি উপদেশ দাতার এতই অভাব। আমেরিকা ও ইংলান্ডে উপদেষ্টার নামে এই সমস্ত ব্যক্তিদেরকে আসলে কারা, কেনো ও দলের কি প্রয়োজনে নিয়োগ দিয়েছে ?
অতি স¤প্রতি লন্ডনে দুই একজন উপদেষ্টার ঘটনা ও আজ আমেরিকার হাই ব্রীড উপদেষ্টার নিউজের ঘটনা নিশ্চই এখন সুখকর নয়।
 জিয়ার আমল থেকে কর্মী হিসাবে দল করে আসলেও আমেরিকায় আসার পর এখানে শ খানেক সি গ্রেডের নেতাদের নোংরামি ও ভাললোকদের কোনঠাসা করার প্রতিযোগিতা দেখে প্রবাসে বি এন পি করার ইচ্ছা শুরুতেই আমার রহিত হয়ে গেছে। দেশে যারা নেতা হওয়াতো দুরের কথা কর্মীও ছিলেন না তারা এখানে বিশাল নেতা সেজে বসে আছেন। আমেরিকায় যেখানে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী সহ সমাজের উচ্চ্ পর্যায়ে থাকা পেশাজীবী লোকদের বি এন পির নেত্তৃত্ত দেওয়ার কথা। সেখানে নেতা সেজেছেন শ্রমিক দল করার উপযোগী লোকজন। পেশাজীবিরা ওদের কার্যকলাপ দেখে এখন নিশ্চুপ। ইংল্যান্ড এ যখন ব্যারিস্টারদের নিয়ে শাখা সংগঠন করা হচ্ছে সেখানে আমেরিকাতে দল ভরে ফেলা হয়েছে যোগ্যতাহীন দীর্ঘদিন থেকে অড জব করে আসা একশ্রেনীর অথর্ব লোকদের দিয়ে। যাদের এমন কোনো পরিচয় নেই যে মার্কিন প্রশাসনের উচচ পর্যায়ের সাথে লিয়াজো করে বি এন পির স্বার্থ হাছিল করবে। আর এক শ্রেণী রয়েছে যারা কেউ ম্যাডামের আত্মীয়, কেউবা তারেক জিয়ার ঘনিষ্ঠ আবার কেউবা তারেক জিয়ার শশুর বাড়ির পরিচয়ে দলে প্রভাব খাটিয়ে দলকে এলোমেলো করে ফেলেছেন। এর মধ্যেই হঠাত আবির্ভূত হলেন একজন ম্যডামের উপদেষ্টা।
 আমি বলছি জাহিদ এফ সরদার সাদীর কথা। বছর খানিক আগে আমেরিকায় একজন ব্যক্তির লম্ফ ঝম্ফ সবাইকে অবাক করতে থাকে। বাংলাদেশে তখন আন্দোলন তুঙ্গে। কিভাবে ও কোন যোগ্যতায় উনি উপদেষ্ঠা হয়েছেন এ প্রশ্ন তুলে আমি ছোট করতে চাইনা। তবে আমি জানি উনি জীবনে কোনদিনই বি এন পি করাতো দুরের কথা সমর্থন ও করেননি। ছিলেন ক্যাডেড কলেজের ছাত্র। ওনার মরহুম মাতা ছিলেন ছাত্রলীগের নেত্রী ও ইডেন কলেজের প্রাক্তন ভিপি। বাবা জিয়াউর রহমানকে ডিস্টার্ব করা আমলাদের মধ্যে অন্যতম একজন। কথিত দ্বায়ীত্ব্ পেয়েই উনি সেজে গেলেন উলু বনে খাটাস রাজা। মেতে উঠলেন ফটো সেশনে। বি এন পির লোকেরা যেখানে যাই করুক উনি প্রচার শুরু করলেন নিজের নামে। বাবার বাড়ির অঞ্চলে সবাই জানেন ওনারা পারিবারিক ভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেন তাই তিনি কোনো এক জায়গা থেকে আশ্বাস পেয়ে শুরু করলেন নানাবাড়ি পিরোজপুরের এম পি প্রার্থী হিসাবে কাজ করতে। বি এন পি তে যা হয়ে আসছে গত কয়েক বছর ধরে।
 আমেরিকাতে ওনাকে যারা চিনেন কৌশলে উনি এড়িয়ে চলা শুরু করলেন তাদেরকে কিন্তু বিধি বাম আমাদের সময় পত্রিকা দিল কিছু সত্যি কথা ফাস করে।
 দলের বারোটা বাজাতে আর কত ডক্টরেট ডিগ্রিধারী সহ শত শত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী শিক্ষক এখন আমেরিকাতে। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটিতে দল গড়তে হলে শহীদ জিয়ার চোখে দেখে পেশাজীবিদের দিয়ে দল পুনর্গঠন করা একান্ত জরুরী। যাদের রাজনৈতিক পরিচয় ছাত্র দল দিয়ে শুরু। সংগ্রহ: ফেইজবুক থেকে।

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

নির্বাচিত স্ট্যাটাস [Facebook all day]

আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...