প্রচ্ছদ  >>   ফেসবুকের  নির্বাচিত স্ট্যাটাস

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী:সাবেক ছাত্রনেতা পারভেজ সাজ্জাদ

মমিনুল ইসলাম মজুমদার: সমাজ-পরিবর্তনের জন্য বাস্তবভিত্তিক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচির যে উৎসাহ-উদ্যোগ ও প্রেরণা, সেই জাতীয়তাবাদী দর্শনের ওপর ভর করে সমকালীন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী ও শান্তিপূর্ণ অনিবার্য বিপ্লবের সুনিদিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আপন মাটি-পানি আর পরিজনদের ঘিরে যে গণমানুষের জাতীয়তাবাদী ভাবনা, Sazzad pictureতার অপ্রকাশ মহিমা ও প্রবাহকে জ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তায় সমন্বিত উন্নয়নের পথে ধাবিত করার শক্তি জোগান দিয়েছিলেন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের মুক্তিদাতা জিয়াউর রহমান। সেই মুক্তিকামী আর্দশ নেতার যোগ্য অনুসারী সাবেক ছাত্র নেতা পারভেজ সাজ্জাদ। ছাত্র জীবন থেকে জাতীয়তাবাদী আর্দশের একজন অকুতোভয় সৈনিক। রাজনৈতিক আর্দশের অনন্য বীর সেনানী সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারণ্যের প্রতীক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পারভেজ সাজ্জাদ চট্রগ্রামের বারিয়ারহাট কলেজে ও মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, চট্রগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ছাড়াও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল (লাল্টু-পিন্টু) সেশনে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র পাড়ি জমান। এক সময়ের তুখোর এ ছাত্র নেতা আমেরিকায় এসেই ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী আর্দশের একজন সত্রিুয় কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ‘তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংগ্রাম পরিষদ’ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি পারভেজ সাজ্জাদ বিএনিউজ প্রতিনিধির সাথে বাংলাদেশের রাজনীতি, অবকাঠামো অবস্থা, প্রবাসে দলের সাংগঠনিক কার্যত্রুমসহ বর্তমান সরকারের ভঙ্গুর গণতন্ত্রের কিছু দিক তুলে ধরেন।

পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র বলতে এখন কিছুই নেই। গণতন্ত্র ধ্বংস ও বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী। দেশে গণতন্ত্রের নামে এক দলীয় শাসন চলছে। ফ্যাসিশক্তির আচরণ আর তাতেঁদারীর দৌরাত্বে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলনের মিছিলে প্রতিদিন সরকারি পেটোয়া পুলিশবাহিনী অজ¯্র বুলেটে ক্ষতবিক্ষত করছে অসংখ্য আন্দোলনকারীকে। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে লাশ ফেলে রাখা হচ্ছে খালে-বিলে-বেড়ি বাঁধে। অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীকে প্রতিদিন গুম, খুন ও অপহরণ করা হচ্ছে দেশব্যাপী। ত্রুসফায়ার যেন হাসি-খুশীর বিষয় হয়ে দাড়িঁয়েছে। সারা দেশ এখন মৃত্যু নগরীতে পরিনত হয়েছে।
আওয়ামী লীগকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী উল্লেখ তিনি বলেন, এই সেই আওয়ামী লীগ যারা চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল কায়েম করে তৎকালীন সংসদকে পুনর্বার আর এক মেয়াদের জন্য নির্বাচিত ঘোষণা করেছিল। আওয়ামী লীগের ইতিহাস সাংবিধানিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার ইতিহাস। এদের হাতে আজ গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার, বিচার ব্যবস্থা, সংসদ ও সর্বোপরি সমগ্র রাষ্ট্রব্যবস্থা জিম্মি হয়ে পড়েছে। পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, বিএনপি গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না যাওয়াটা ছিল সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এ জন্য আমি বিএনপির চেয়ারপাসনস সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানাই। বিএনপি জাতীয় নির্বাচন করলেও আওয়ামী লীগ উপজেলা নির্বাচনে শেষের দিকে যেভাবে মানুষ হত্যা করে, বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের হামলা-মামলা দিয়ে, জোর করে কেন্দ্র দখল করে বিজয়ী লাভ করছে। ঠিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অনুরূপ কাজই করতো। বিএনপি দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচনে না যাওয়াটা সঠিক ছিল, এখন দেশবাসী বুঝতে পেরেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি বিদেশী কুটনীতি নির্ভরশীল একথাটা মোটেও ঠিকনা। বিএনপি গণমানুষের দল। সারা দেশে বিএনপি যথেষ্ট আন্দোলন জমিয়েছে। মানুষ আমাদের পক্ষে ছিল এবং এখনও আছে। কিন্তুু ঢাকা শহরে আন্দোলন কিছুটা দূর্বল ছিল এ কথা সত্য। কারণ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামী নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ, বিডিআর এবং দলীয় ক্যাডারদের ঢাকা এনে বিএনপির প্রত্যেকটা কর্মসূচীকে সরকার ঠেকাতে চেষ্টা করেছে। বেগম খালেদা জিয়া দেশে গণতন্ত্রের স্বার্থে ‘র্মাচ ফর ডেমোত্রেুসি’ কর্মসূচী দিয়েছে। এটা দেশে বিদেশে সকলের নিকট সমদৃত ছিল। কিন্তুু সরকার ‘র্মাচ ফর ডেমোত্রেুসি’ ঠেকাতে নিজেরাই হরতাল ডেকেছে। বাস, ট্রেন, লঞ্চ বন্ধ করেছে দিয়েছে। ঢাকার আবাসিক হোটেল, মেস এমনকি বিরোদীদলীয় নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় তল্লাশী করে শতশত লোক গ্রেফতার করেছে। গণতন্ত্রের ভাষা এমন হতে পারে না। সরকার ঐদিন বেগম খালেদা জিয়াকে বাসায় অবরুদ্ধ করে রেখেছে। প্রশাসনে অতি উৎসাহী অফিসারেরা বেগম জিয়ার বাস ভবনের সামনে বালু ভর্তি ট্রাক রেখে ঘর থেকে বাহির হতে দেয়নি। এমনকি একজন বিদেশী সাংবাদিককেও বেগম জিয়ার সাথে স্বাক্ষাৎ করতে দেয়নি সরকার। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের সরাসরি গুলি করে আহত করেছে এমন বহু প্রমাণ রয়েছে। রাজনীতিতে প্রতিপক্ষ থাকবে এজন্য জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যার উদ্দেশ্যে এবং আন্দোলন দমাতে সরাসরি গুলি করার সংস্কৃতি বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ চালু করেছে।
তিনি বলেন, রাজনীতিতে ক্ষমতার পালাবদল থাকবে এটা স্বাভাবিক। এটা গণতান্ত্রিক নিয়ম। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে বিরোধী মতের লোকদের গুম, খুন, জেল-জুলুম এতবেশী ইতিপূর্বে কখনো হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি অমানবিক নির্যাতন বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই নির্যাতন। আসলে যেখানে গণতন্ত্র অনুপস্থিত সেখানে ফ্যাসিবাদী জন্ম নেয়াটাই স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে বাকশাল। সব কিছুর একটা শেষ আছে। দেশে বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থার জন্য আওয়ামী লীগকে জনতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
৫ জানুয়ারীর একতরফা নির্বাচন ঠেকানোর বিএনপির আন্দোলনকে সফল দাবি করে সাবেক এ ছাত্রনেতা বলেন, বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়া যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন তা সফল হয়েছে। প্রহসনের এ নির্বাচনে দেশের ৫ ভাগ মানুষই ভোট দিতে যায়নি। এটা ছিল সাজানো নির্বাচন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, দেশ আজ একদলীয় গণতন্ত্রের শিকার। বর্তমান বিরোধীদল সরকারের পোষ্যপুত্র। সরকারি দল বিরোধী দল একাকার হয়ে গেছে। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করেছে। মানুষের মৌলিক অধিকার ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।
বিএনপি সাথে জামায়াতে সর্ম্পক প্রশ্নে তিনি বলেন, সর্ম্পক নষ্ট নয়, আরো সুদৃঢ় হবে বলে আমি মনে করি। বিএনপি-জামায়াতসহ ২০দলীয় জোটের কর্মসূচী হলো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে উৎখাত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। এই কর্মসূচীতে সকল দলে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করছে। দল হিসেবে বিএনপি নিজের গঠনতন্ত্র আলোকে পরিচালিত হচ্ছে। জামায়াত তাদের সংবিধানের আলোকে চলছে। রাজনৈতিক দল এবং আদর্শগত ভাবে দুই দলই আলাদা। কিন্তুু বিএনপির যৌক্তিক দাবীর সাথে জাতীয় স্বার্থে জামায়াত কেন ? সকল দল একসাথে আন্দোলন করাটা দোষের কিছু নয়। আমরা অতীতে আওয়ামী লীগকেও দেখেছি জামায়াতের সাথে মিশে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে। এখন জামায়াত বিএনপির সাথে আন্দোলন করাতে আওয়ামী লীগের গ্রাত্রদাহ। আসলে এটা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংকীর্ণমনতা।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার খেলা সরকারের একটা নতুন ষড়যন্ত্র। বিএনপির সাথে জামায়াত থাকুক এটা আওয়ামী লীগ চায় না বলে হরেক রকম অভিযোগ আনছে সরকার।  তিনি যুদ্ধাপরাধী বিচারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমরা (বিএনপি) যুদ্ধাপরাধী বিচারের পক্ষে। আমরা চাই স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আর্ন্তজাতিক মানের একটা বিচার। কিন্তুু আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার লক্ষ্যে শুধুমাত্র বিরোধীদলকে দমানের হাতিয়ার হিসেবে যুদ্ধাপরাধের নামে তথাকথিত এ বিচারকে ব্যবহার করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মানবাধিকার লঙ্গন, খুন, গুম, মামলা-হামলা আর নির্যাতন করে কোন সরকার ঠিকে থাকতে পারে না এবং পারেনি। এটাই বাস্তব ইতিহাস। পৃথিবীর কোন স্বৈরাচারী সরকার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, শেখ হাসিনাও পারবে না।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপি বিশাল একটা রাজনৈতিক দল। যেখানে বাংলাদেশে মানুষ থাকবে সেখানে বিএনপির থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির হাজার হাজার কর্মী রয়েছে। বিএনপিতে বিভক্তি আছে বলে আমি মনে করি না। বড় দল হিসেবে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে। এখানে কেউ কারো প্রতি হিংসা করার সুযোগ নেই। প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে যে এগিয়ে যাবে তারাই নেতৃত্বে আসবে এটা গণতান্ত্রিক নিয়ম। কেন্দ্রীয় বিএনপি যাদের উপর দায়িত্ব অর্পণ করবে। তাদেরকে ঘিরে সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দলকে শক্তিশালী করা উচিত বলে আমি মনে করি। নির্বাচন কমিশন কতৃর্ক বাধ্যবাধকতা থাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপি বর্হিবিশ্বে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে কমিটি দিচ্ছেনা কৌশলগত কারণে। আসলে সরকারের থাকলে যা করে তা আইন, আর বিরোধী দলে থাকলে বেআইনে পরিনত হয়। কেন্দ্রীয় বিএনপি সে কৌশল অবলম্বন করেছে বলে আমার ধারনা।
স্থানীয় মিডিয়া প্রকাশিত খবরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পারভেজ সাজ্জাদের নাম আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাত্র জীবন থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন নুন্যতম কর্মী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছি। আমার জানা মতো আজও নিত্রিুয় হইনি। যতদিন বেচেঁ থাকবো ততদিন শহীদ রাষ্টপ্রতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে কাজ করে যাবো। এক্ষেত্রে আমরা প্রেরণার উৎস হচ্ছেন, বিএনপির চেয়ারপাসনস তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারণ্যের প্রতীক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তরুণ ব্যবসায়ী পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশ চায়না বাংলাদেশের উন্নতি হোক। যার ফলে বর্তমান সরকারকে ছায়া সরকার হিসেবে কাজ করে দেশের একের পর শিল্পী, কল-কারখানা এবং অবকাঠামো ইত্যাদি ধ্বংস করছে। বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উচুঁ করে দাড়াঁক এমনটা চায়না বলে সুপরিকল্পিত ভাবে দেশকে অভ্যন্তরীন গৃহযুদ্ধের দিকে ঢেলে দিচ্ছে প্রতিবেশী দেশটি। আধিপত্যবাদী ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাদের পুতুল সরকার মনে করে। যার ফলে আমাদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি আর ধর্মীয় অনুভুতির প্রতি বারবার আঘাত হানছে। বাংলাদেশ যাতে বিশ্ব দরবারে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিগণিত হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ করুণ অবস্থায় দেশের গণ মানুষের স্বার্থে, অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এবং সম্মানিত জাতি হিসেবে বেঁেচ থাকার তাগিদে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা বর্তমান সময়ের দাবী।

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

নির্বাচিত স্ট্যাটাস [Facebook all day]

আজকের এই দিনে
লোকে-যারে-বড়-বলে-বড়-সেই-হয়
আবদুল আউয়াল ঠাকুর : বাংলা প্রবচন হচ্ছে, আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়, লোকে যা বড় বলে বড় সেই হয়। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন হওয়ার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি কেন্দ্র করে এমন কিছু...