প্রচ্ছদ  >>   ফেসবুকের  নির্বাচিত স্ট্যাটাস

বাবা দিবস ও নির্বাচনী স্ট্যাটাস

 

 

Arif R Hossain

এক ইস্যুতেই আমি, বাবার থাপ্পড় খেয়েছি জীবনে সাতবার

প্রথমবার;

...যখন প্রথম মোবাইল ফোন হারিয়ে কান্নাকাটি করছিলাম; থাপ্পড়টা অবশ্য তখন মেরেছিলেন মোবাইল হারিয়ে ফেলেছিলাম দেখেনা... মেরেছিলেন, এই বয়সে আমার কাছে মোবাইল আসলো কোথা থেকে সেটা জিজ্ঞাসাবাদের সময়


দ্বিতীয়বার;
... যখন আব্বার মোবাইল বাসা হুট থেকে হারিয়ে গেলো :P

তৃতীয়বার;
... যখন আব্বার মোবাইল হুট করেই আবার আমার বালিশের নিচে পাওয়া গেলো

চতুর্থবার;
... যখন আব্বার মোবাইলে এক মেয়ে ফোন করে বললো, “ওই ফাজিল, মিসকল দেস কেন ?”

পঞ্চমবার;
...যখন আমার আব্বার মোবাইলে মিসড কল আসা একদমম বন্ধ হয়ে গেলো :P

ষষ্ঠবার;
...যখন কলেজ থেকে ফিরতেই আম্মা আমার পকেট থেকে দুটো মোবাইল উদ্ধার করলো

সপ্তমবার;
... যখন ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরতে একদিন অনেকক দেরি হয়েছিল আর ওদিকে আমার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল দেখে তিনি বেজায় চিন্তিত ছিলেন

---

বাবাদের বুঝা মুশকিলরে ভাই... বড়ই মুশকিল

তারপরেও; সারা বছর বসে থাকি, কবে দুই ঈদ আসবে আর কোলাকুলির উসিলায় উনাকে জড়িয়ে ধরতে পারব

এমনি এমনি যদি কোনও দিন বলে ফেলি, “বাবা একটু জড়িয়ে ধরি?” তখন বাবা শিওর ভাববেন, হয়ত আমি পাগল হয়ে গেছি ... বা ... কোলাকুলির উসিলায় আমি উনার প্যান্টের পিছন থেকে মানি-ব্যাগ হাতিয়ে নিতে এসেছি

আমার মতো, বাবাদের দিকে চোখ তুলে না তাকাতে পারা ছুপা-ত্যাঁদড়দের জন্য, “ঈদই হলো ফাদারস-ডে”

 
নিশাত পারভেজ নিশি
 
বড় হয়ে যাচ্ছি মনে হয়, আগে আব্বুর কাছে গেলেই তাকে জড়ায়ে ধরতাম এখন লজ্জা লাগে। আব্বু আর আমি একসাথে ঘুমাতাম, এখন তাও পারি না। একটু বড় হওয়ার পর থেকেই আব্বুর পেশাগত কারণে আমাকে দূরে থাকতে হতো। এজন্য আমার তার উপর অনেক অভিমান, রাগ। এখনো আছে। সবাই বাবা দিবসে আব্বুর সাথে ছবি আপলোড দিচ্ছে, আমার আর আব্বুর তেমন কোন ছবি নাই। আব্বু তুলতে চায় না। আর আমার বলতে লজ্জা হয়। দুটোই সমস্যা। বাবা দিবসের একদিন আগে আমার আব্বুর বার্থডে। দুটোদিনই আব্বুকে উইশ করলাম। আব্বুটা কেন যে এত চাপা স্বভাবের। খুশি হলেও মুখটা গোমড়া করে রাখে।
মাঝে মাঝে মন চায় জিজ্ঞাসা করি আব্বু তুমি একটু হাসতেও পারো না। :/
তবে যত যাই বলো আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি আব্বু তোমাকে হয়তো কোনদিনও একথাটা বলতে পারবো না। তুমি আমাকে অনেক দিন ভজন পাখি বলে ডাকো না, আবার ডাকতে পারো না?
 
 
 
 

 

স্যাটায়ার

আওয়ামী লীগ হেরেছে, শাহবাগ নয়! এটা মাথায় রাখতে হবে!
অমি পিয়ালের পেজ থেকে আরেকবার শাহবাগে সমাবেত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে, যে শাহবাগকে এতো দিন সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে অফ রাখা হয়েছিলো!

তাহলে বলি, শাহবাগ আওয়ামী প্রয়োজনে জাগবে না! শাহবাগ ফাঁসির প্রয়োজনে জাগবে! দালালদের ডাকে কেউ আর সারা দিবে না! মানুষের শিক্ষা হয়ে গেছে! আবার যদি জেগে উঠতেই হয় বিবেকের তাড়নায় জেগে উঠবে, আর কারও ডাকে নয়!!

এক কালে ছাগুরা ত্যানা প্যাঁচাতো, এখন আওয়ামী ত্যানা প্যাঁচায় অতিষ্ট! সামনে দুইটা পথ- ) রাজাকারের বিচার করে নিজেদের বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করবেন বা ২) নিজেদের ভরাডুবির জন্যে প্রস্তুত থাকেন!

টিকফা, রাম পালের ব্যাপারে সাবধান, পাবলিক চেতলে মুসিবত হবে!!

 

জগন্নাথ হলে পাঠা বলি দেয়ার দৃশ্য দেখেছিলাম এক রাতে। দুই-তিন জন পাঠাটাকে ধরে চিত করে শুয়ায়। দেন একজন বিশাল ধারালে একটা জিনিস দিয়ে কোপ দেয়। তার পর হরিবোল হরিবোল রব। পাঠার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন। ধারালো জিনিসটার নাম খড়গ। জিনিসটা দেখলে গা ঝিম ঝিম করে।

আর প্রতিবছর কুরবানীর দৃশ্যতো বাড়িতে দেখিই। চার-পাচ জন ষাড়টাকে মাটিতে শুয়ায়। তার পর ঘচ ঘচ করে ইমাম সাহেব ধারালো ছুরি অথবা বটি দিয়ে গলা কাটেন। বিসমিল্লাহ, বিসমিল্লাহ। ঝাড়ের স্পন্দন শেষ। এই বিষয়টা দেখার পরো গা ঝিম ঝিম করে।

কুরবানী বা বলি দুটি জিনিস করার পিছনের কারণ প্রায় একই। কুরবানী দেয়া হয় মাহান স্রস্টা আল্লাহ'র উদ্দেশ্যে। আর বলি দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের পরম পূজনীয় দেব-দেবীর পদে অর্ঘ নিবেদন করেন।

কাল কুরবানী বা বলির দৃশ্য দেখলো দেশ বাসী। এক সাথে চার জনকে। তবে এতে কোন ঘচ ঘচ শব্দ হয় নি। তবে এ নীরব বলি উৎসর্গ হয়নি কোন স্রষ্টার উদ্দেশ্যে। এটি তত্বাবধায়কের জন্য উৎসর্গকৃত। সরকার বাহাদুর কোপ দিছেন একটা, লাশ পড়েছে চারটা। ভালোতো, ভালো না?

 

Mahidul Islam Sajib

Mass people Dictator Gov

04 <---> 00

 

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

নির্বাচিত স্ট্যাটাস [Facebook all day]

আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...