ছিটমহল বিনিময় : লাভক্ষতির খতিয়ান

w564ইকতেদার আহমেদ

১৯৪৭ সালে সৃষ্ট ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করেন ব্রিটিশ ব্যারিস্টার স্যার সেরিল রেডক্লিফ। পাকিস্তান রাষ্ট্রটি পূর্ব ও পশ্চিম এ দু’ভাগে বিভক্ত ছিল। পূর্ব ভাগটির নাম দেয়া হয় পূর্ব পাকিস্তান। রেডক্লিফ সাধারণভাবে সীমানা নির্ধারণ করে গেলেও তা শুধু কাগজে উল্লেখ ছিল, কিন্তু বাস্তব অর্থে সরেজমিন সীমানা নির্ধারণে অনেক সময় লেগে যায়। সরেজমিন সীমানা নির্ধারণ করার সময় কিছু জটিল পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে উভয় দেশের সীমানার কিছু অংশ অচিহ্নিত থাকে।
পাকিস্তান আমলে ১৯৫৮ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওয়াহেরলাল নেহরু ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ফিরোজ খান নুনের মধ্যে স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণ ও অপদখলীয় ভূমি বিনিময় বিষয়ে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী ১২ নম্বর দক্ষিণ বেরুবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ অর্ধাংশ ভারতকে এবং অবশিষ্ট অংশ বাংলাদেশকে দেয়া হয়। কিন্তু চুক্তি-পরবর্তী ভারতের সুপ্রিম কোর্টে মামলা হলে পাকিস্তান শাসনামলে চুক্তিটি আর কার্যকর হয়নি। অতঃপর স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটলে ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণ ও এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিটি মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে অভিহিত। চুক্তিটিতে উল্লেখ ছিল যে, দক্ষিণ বেরুবাড়ীর দক্ষিণ অর্ধাংশ এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছাড়া ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহল এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতের ছিটমহল উভয় দেশের মধ্যে দ্রুত বিনিময় হবে। চুক্তিতে আরো উল্লেখ ছিল, দহগ্রামকে বাংলাদেশের পাটগ্রাম থানার সাথে সংযুক্ত করার জন্য ভারত চিরস্থায়ীভাবে ১৭৮ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮.৫ মিটার প্রস্থবিশিষ্ট তিন বিঘার কাছাকাছি ভূমি বাংলাদেশকে ইজারা দেবে। চুক্তি-পরবর্তী এটি বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় অনুস্বাক্ষরিত হওয়ার পর সংসদ কর্তৃক ২৮ নভেম্বর ১৯৭৪ সালে অনুমোদিত হয়। চুক্তিটি সংসদে অনুমোদনের সাথে সাথে বাংলাদেশ-ভারত দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা এবং দক্ষিণ বেরুবাড়ীর দক্ষিণ অর্ধাংশের ওপর নিজ নিজ সার্বভৌমত্ব লাভ করলেও তিনবিঘা করিডোরটি বাংলাদেশের কাছে স্থায়ীভাবে ইজারা দিতে ভারতের ২০১১ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যায়।
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি বাংলাদেশ সংসদে অনুমোদিত হওয়ার ৪০ বছর পর ভারতের লোকসভা গত ৮ মে ২০১৫ সালে চুক্তিটি অনুমোদন করে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফরকালে ১৯৭৪ সালে সীমান্ত চুক্তির সমর্থনে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করেন। প্রটোকলে উল্লেখ করা হয়, উভয় দেশ ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর এবং অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিত করার কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করবে। কংগ্রেস-দলীয় ড. মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাবস্থায় সেটি সম্ভব হয়নি।
ভারতের লোকসভায় ছিটমহল বিনিময়, অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর এবং অচিহ্নিত স্থলসীমানা চিহ্নিতকরণবিষয়ক চুক্তিটি অনুমোদিত হওয়ায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ১৭ হাজার ১৫৮ একর ভূমিসংবলিত ১১১টি ভারতীয় ছিটমহলের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে এবং একইভাবে ভারতের অভ্যন্তরে থাকা সাত হাজার ১১০ একর ভূমিসংবলিত ৫১টি বাংলাদেশের ছিটমহলের ওপর ভারতের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভারতের ১১১টি ছিটমহলে সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা হলো ৩৭ হাজার ৩৬৯। এ ১১১টি ছিটমহলের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলায় ১২টি, লালমনিরহাট জেলায় ৫৯, নীলফামারী জেলায় চার এবং পঞ্চগড় জেলায় ৩৬টি অবস্থিত। ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের জনসংখ্যা হলো ১৪ হাজার ২১৫। বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের মধ্যে ৪৭টি কুচবিহার জেলায় এবং অবশিষ্ট চারটি জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত। চুক্তি অনুযায়ী আপাতদৃষ্টিতে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ১০ হাজার ৪৮ একরের অধিক ভূমি পাবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো পরস্পরের ছিটমহল উভয় দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত হওয়ার কারণে উভয় দেশের ছিটমহলের ওপর উভয়ের প্রতীকী দখল ছিল। সুতরাং চুক্তিটি কার্যকর হলে উভয় দেশের পারস্পরিক ছিটমহলস্থ ভূমির ওপর উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। আর তাই দখলের বিষয়টি প্রতীকী হওয়ায় এখানে কোনো দেশের অধিক বা কম ভূমি পাওয়ার বিষয়টি গৌণ বা মুখ্য হলো পরস্পরের ছিটমহলের ওপর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা পাওয়া।
এ চুক্তিটির আওতায় অপদখলীয় ভূমিও হস্তান্তর করা হবে। অপদখলীয় ভূমি হচ্ছে বাংলাদেশের আইনসম্মত ভূমি, যা ভারতের দখলে রয়েছে। অনুরূপ বাংলাদেশের দখলে থাকা ভারতের আইনসম্মত ভূমি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম ও ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার অনেক স্থানে দুই দেশের বাসিন্দারা সীমান্ত রেখা ছাড়িয়ে গিয়ে ভূমি দখল করে রেখেছে বছরের পর বছর। এসব বিরোধপূর্ণ ভূমি যাদের দখলে আছে তারা সে স্থানে কৃষিকাজও করছে। চুক্তিটি কার্যকর হলে এসব ভূমি বহু বছর ধরে যাদের অপদখলে ছিল, তাদের ভূমি দখল ছেড়ে দিতে হবে। এর ফলে ভারতের দখলে যাবে অপদখলীয় ভূমির দুই হাজার ৭৭৭ একর এবং বাংলাদেশের দখলে আসবে অপদখলীয় ভূমির দুই হাজার ২৬৭ একর। রেডক্লিফ যেভাবে সীমানা চিহ্নিত করেছিলেন, অপদখলীয় ভূমি বিনিময়ের ফলে সে সীমানা রেখার কিছুটা হেরফের হবে। আর তাই প্রকৃতই এগুলো অপদখলীয় ভূমি কি না সে বিষয়ে অনেকের সংশয় রয়েছে। অপদখলীয় ভূমি বিনিময়ের কারণে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ৫১০ একর ভূমির ওপর দখল হারাবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চার হাজার কিলোমিটারের বেশি স্থলসীমান্ত রয়েছে। এ দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে নীলফামারী ও পশ্চিমবঙ্গ, ফেনীর মুহুরী নদী ও ত্রিপুরার বিলোনিয়া এবং মৌলভীবাজারের লাঠিটিলা-ভূমিবাড়ী ও আসামে ৬.১ কিলোমিটার সীমানা এখনো অচিহ্নিত রয়েছে। এ কারণে এসব এলাকায় মাঝে মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। আশা করা যায়, সীমানা চিহ্নিতকরণের মাধ্যমে চুক্তিটি কার্যকর হলে এসব এলাকায় স্থায়ীভাবে সীমান্ত সংঘর্ষের অবসান ঘটবে।
ছিটমহল বিষয়ে আমাদের অনেকের স্বচ্ছ ধারণা নেই। আর তাই এ বিষয়ে কিছু তথ্য উপস্থাপন আবশ্যক প্রতীয়মান হয়। ছিটমহল হচ্ছে, কোনো দেশের মূল ভৌগোলিক সীমানা থেকে বিচ্ছিন্ন এবং অন্য একটি দেশের মূল ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে বিরাজমান ভূখণ্ড জনপদ। ছিটমহল মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেখানে যেতে হলে অন্য দেশটির ভূমির ওপর দিয়ে যেতে হয়। ইতঃপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল অর্থাৎ পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত। অপর দিকে বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের কুচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত।
ব্রিটিশ শাসনামলে কোচ রাজা এবং রংপুরের মহারাজারা স্থলসীমান্ত দিয়ে একে অপরের রাজ্য থেকে পৃথক ছিল। তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমনকি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রেও মহলের বিনিময় হতো। ব্রিটিশদের শাসনকালের আগ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী এ ক্ষুদ্র রাজ্যের রাজা ও মহারাজারা মিলিত হতেন তিস্তাপাড়ে দাবা ও পাশা খেলার উদ্দেশ্যে। খেলায় বাজি ধরা হতো বিভিন্ন মহল নিয়ে, যা কাগজের টুকরা দিয়ে চিহ্নিত করা হতো। খেলায় হার-জিতের মধ্য দিয়ে এ কাগজের টুকরা বা ছিট বিনিময় হতো। সাথে সাথে বদলাত সংশ্লিষ্ট মহলের মালিকানা। এভাবে সে আমলে তৈরি হয়েছিল এক রাজ্যের ভেতর অন্যের ছিটমহল, যা ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভাজন-পরবর্তীও বহাল থাকে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহলের বেশির ভাগ অধিবাসী মুসলমান। অপর দিকে ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহলে বেশির ভাগ অধিবাসী হিন্দু। চুক্তি অনুযায়ী, ছিটমহলবাসীদের নিজ নিজ দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের অধিকার দেয়া হলেও ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহলের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি, যদিও বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ছিটমহলের প্রায় দেড় হাজার নাগরিক ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণের ব্যাপারে নিজেদের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছে। উভয় দেশে বসবাসরত ছিটমহলের নাগরিকেরা বৈধভাবে দেশ দু’টির নাগরিক না হওয়ার কারণে তারা সব ধরনের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ছিটমহল ছিল অবহেলিত জনপদ। এখানে সরকারিভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট উন্নয়ন কোনো কিছুর ব্যবস্থা ছিল না। এখন ছিটমহলে উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় উভয় দেশই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমাজসেবা ও পল্লী উন্নয়ন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইতঃপূর্বে নাগরিকত্ববিহীন হওয়ার কারণে ছিটমহলবাসীর মধ্যে যে হীনম্মন্যতা কাজ করত, চুক্তি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে এটির অবসান হতে চলেছে। এখন আর ছিটমহলবাসীর দেশের যেকোনা স্থানে চলাচলে, শিক্ষা গ্রহণে, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে, চাকরি পাওয়ায় আর কোনো বাধা থাকবে না। এত দিন তারা ভোটাধিকার-বঞ্চিত ছিল। চুক্তি কার্যকর হলে সেটিরও অবসান ঘটবে।
১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা-পরবর্তী আমরা দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের সাথে থাকাবস্থায় ১৯৫৮ সালে নেহরু-নুন সীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সংক্রান্ত চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও সীমানা চিহ্নিতকরণ ও ছিটমহল বিনিময়ের কাজ সম্পন্ন করা যায়নি। সে সময় উভয় দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব চুক্তি কার্যকরে আগ্রহী থাকলেও বাদ সাধেন ভারতের আদালত। আদালত থেকে বলা হয়, চুক্তি কার্যকর করতে হলে সংবিধান সংশোধনের আবশ্যকতা রয়েছে এবং সে ক্ষেত্রে তা অবশ্যই সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে। ভারতের আদালতের সিদ্ধান্ত-পরবর্তী আমাদের স্বাধীনতা-উত্তরকালে নেহরু-নুন চুক্তি বাস্তবায়নে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংবিধানে সংশোধনী এনে সংসদে চুক্তিটি অনুমোদনের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, কিন্তু ভারত আমাদের মতো ত্বরিত লোকসভায় চুক্তিটি কার্যকরের ব্যবস্থা নেয়নি, যদিও চুক্তি স্বাক্ষর-পরবর্তী বিভিন্ন সময় তাদের ক্ষমতাসীন দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। এ চুক্তিটির সাথে ভারতের বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী চারটি রাজ্য- ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থসংশ্লিষ্ট। ভারতের যেকোনো কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে এ চারটি রাজ্যসরকারকে আস্থায় না নিয়ে চুক্তি কার্যকর দুরূহ ছিল। সে দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব প্রশংসার দাবিদার। তিনি শত প্রতিকূলতার মধ্যেও অবশেষে চারটি রাজ্যসরকারের মুখ্যমন্ত্রীদের আস্থায় এনে চুক্তিটি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে অনুমোদন করাতে সমর্থ হয়েছেন। এ চুক্তিটি দেরিতে হলেও অনুমোদন করে প্রধানমন্ত্রী মোদি দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা সমস্যাটির সমাধান করে সব মহলের প্রশংসা কুড়াতে সমর্থ হয়েছেন। আর এটি কার্যকর হলে আশা করা যায়, আমাদের উভয় দেশের সীমান্তে যেকোনো ধরনের উত্তেজনার প্রশমন হবে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল থাকবে এবং উভয় দেশ পাস্পরিক সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতি আস্থাশীল থাকবে। আর তাই চুক্তিটির মাধ্যমে একটি দেশের ভূমি অধিক বা কম প্রাপ্তি দেশটির জন্য লাভ-ক্ষতির বিষয় নয়। আসল কথা হলো, লাভ-ক্ষতির আলোকে চুক্তিটিকে না দেখে, দেখতে হবে এটি পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করাসহ গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠায় কতটুকু সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক

Bangla-Kotir
line seperator right bar ad
sunnati hazz
line seperator right bar ad
RiteCareFront
line seperator right bar ad
Adil Travel Winter Sale front
line seperator right bar ad
starling front
line seperator right bar ad

Prothom-alo Ittafaq Inkilab
amardesh Kaler-Kontho Amader-Somay
Bangladesh-Protidin Jaijaidin Noya-Diganto
somokal Manobjamin songram
dialy-star Daily-News new-york-times
Daily-Sun New-york-post news-paper

line seperator right bar ad

 

 Big

line seperator right bar ad
Rubya Front
line seperator right bar ad

Motin Ramadan front

line seperator right bar ad
 ফেসবুকে বিএনিউজ24
line seperator right bar ad
   আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...
line seperator right bar ad
banews ad templet
 
 
line seperator right bar ad
   ফটোগ্যালারি
  আরো ছবি দেখুন -->> 
line seperator right bar ad
 
    পুরাতন সংখ্যা
banews ad templet