বিজিবির কেন এই পরিণতি?

স্টালিন সরকার
বড়ইবাড়ির কথা মনে পড়ে? ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বড়ইবাড়ি বিডিআর ক্যাম্প (বর্তমানে বিজিবি) দখলের চেষ্টা করেছিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সেই আগ্রাসী হামলা সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছিল বিডিআরের ১০ জওয়ান। ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বিএসএফের অতর্কিত যৌথ হামলায় ল্যান্সনায়েক ওয়াহিদুজ্জামান নিহত হওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী-বিএসএফকে প্রতিহত করে আমাদের বিডিআর জওয়ানরা। বিডিআর জওয়ানদের সমর্থনে আশপাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। তারা বিডিআরের জওয়ানদের সাহস দেন এবং দা-খন্তে-কুন্তি-কোদাল নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিডিআরের ১০ জওয়ানের সেই বিরোচিত সাফল্যের কাহিনী আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় হয় শিরোনাম। অজপাড়া গাঁয়ের অবহেলিত বড়ইবাড়ি হয়ে ওঠে ঐতিহাসকি গ্রাম। সেদিন ১১ জন সৈনিকের একজন শহীদ হলেও বাকি ১০ জন বিডিআর সদস্য ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বিএসএফের কয়েকশ’ সদস্যকে পিছু হটতে বাধ্য করে। ধন্য ধন্য রব পড়ে যায় গোটা দেশে। সেই বড়ইগ্রামের বীরত্ব ’৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পিলখানায় জওয়ানদের প্রতিরোধ বীরত্বের কথা মানুষ ভুলে যায়নি। মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসর (ইপিআর)-এর অবদান এখনো জাতি সম্মানের সঙ্গেই স্মরণ করে।

গৌরবগাঁথা সেই বিডিআর বর্তমানে বিজিবির আজ একী হাল? পুলিশের এসআই বসিরউদ্দীনের সাহসীকতার কথা মনে পড়ে? তাকে নিয়ে গত বছর হৈচৈ পড়েছিল সারাদেশে। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের এক ভয়ঙ্কর এমপির রক্তচক্ষুকে চ্যালেঞ্জ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ‘ভোট ডাকাতি’ ঠেকিয়ে হৈচৈ ফেলে দেন তিনি। ভোট ডাকাতদের হাত এতো লম্বা ছিল যে জনগণের নিরাপত্তা দেয়ার চাকরি করেও তাকে নিজের জীবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করতে হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সাহসী ভূমিকার জন্য তাকে ‘বীর’ ‘পুলিশ বাহিনীর নায়ক’ ইত্যাদি উপাধিতে অভিহিত করে। গত কয়েকদিন থেকে বিজিবির নায়েক আবদুর রাজ্জাককে নিয়ে হৈচৈ পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ব্লগ, টুইটার ও পাঠক মতামতে। মিডিয়াগুলোতে এ নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হচ্ছে। সবাই উদ্বিগ্ন, ক্ষুব্ধ, আতঙ্কিত। দায়িত্ব পালনের সময় কক্সবাজারের নাফ নদী থেকে অপহৃত হন বিজিবির নায়েক এই আবদুর রাজ্জাক। তাকে এখনো উদ্ধার করা যায়নি। পতাকা বৈঠকের প্রস্তাবে সায় না দিয়ে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন এবং আবদুর রাজ্জাককে ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশের অনুরোধ তার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশ করে উল্টো তার বিরুদ্ধে অবৈধ প্রবেশের অভিযোগ এনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে মিয়ানমার। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ-বিজিপি তাদের ফেসবুক পেজে বিজিবি সদস্য রাজ্জাকের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছে। পত্র-পত্রিকায় এ ছবি ছাপাও হয়েছে। নায়েক রাজ্জাকের ছবি বিজিপি প্রকাশ করেছে আপত্তিকর, অবমাননাকর এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে। প্রতিবেশি দেশের একজন সৈনিকের সঙ্গে সামান্য সৌজন্যবোধও দেখানো হয়নি। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে হাতকড়া পরিয়ে ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। তার শরীরের উপরের অংশে বিজিবির পোশাক, তাতে নেমপ্লেটও আছে, নিচে লুঙ্গি পরা। সঙ্গে থাকা অস্ত্র, গুলি, মোবাইল ইত্যাদি একটি টেবিলে রেখে নায়েক রাজ্জাককে পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলা হয়েছে। বাংলাদেশের র‌্যাব-পুলিশ মানুষকে আটকের পর মিডিয়ার সামনে এভাবে হাজির করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অপরাধী না নিরপরাধ তা যাচাই-বাছাই প্রমাণের আগেই তাদের নামের সঙ্গে ভয়ঙ্কর অপরাধীর তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়। বাংলাদেশের একজন সীমান্তরক্ষীকে সামান্য সম্মানটুকু দেখানোর প্রয়োজন মনে করেনি মায়ানমার। পরিস্থিতি যখন এই তখন ১৮ জুন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘গোলাগুলির ঘটনা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।’ প্রশ্ন হলো ভুল বুঝাবুঝির কারণে ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি এতোদূর গড়ায় কীভাবে?

আর সীমান্তরক্ষীদের যদি প্রতিবেশি দেশের বাহিনীর হাতে অপহৃত হতে হয় তাহলে তারা দেশের নিরাপত্তা দেবেন কেমন করে? নায়েক রাজ্জাকের এই পরিণতির দায় কার? তাকে ছাড়িয়ে আনতে সরকার সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণের বদলে ‘ভুল বুঝাবুঝি’ বলে পরিস্থিতিকে হালকা করার কৌশল নিচ্ছে কেন? রাজ্জাক একজন সাধারণ সৈনিক বলেই কী এতো অবহেলা? বিডিআর বর্তমানে বিজিবির ইতিহাস দেশের জন্য গৌরবের অহংকারের। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূর্ত প্রতীক বিজিবি। সীমান্তে তাদের প্রহরায় তটস্থ থাকতো ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিএসএফ। বিডিআরের ১০ জওয়ান বিএসএফের ১০০ সদস্যকে অনায়াসে মোকাবিলা করতো। স্বাধীনতার পর থেকে এ চিত্র দেখেছে দেশের মানুষ। সীমান্ত এলাকায় বসবাস করেন এমন অনেকের সঙ্গে বিভিন্ন সময় কথা বলে জানা গেছে, আমাদের আধা-সামরিক বাহিনী বিজিবির জওয়ানদের দেশপ্রেম, দৃঢ়তা এবং কঠিন মনোবলের কারণে সব সময় ভয়ে থাকতো ভারত ও মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা। বিজিবি মানেই ওদের জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক। এ পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে পিলখানা হত্যাকা-ের পর। বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনাবাহিনীর ৫৭ দেশপ্রেমী অফিসারকে হত্যা করা হলো। বর্বরোচিত ওই হত্যাকা- গোটা জাতিকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দেয়। বিদ্রোহের নামে নিষ্ঠুরতা বাহিনীর ওপর শুধু নয় জাতির ওপর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমাদের এতো সেনা অফিসারকে প্রাণ দিতে হয়নি। সামান্য দাবি-দাওয়া নিয়ে ভয়ঙ্কর পৈশাচিক হত্যাকা-ের রহস্য এখনো মানুষের অজানা। বিচারের মাধ্যমে অনেকের শাস্তি দেয়া হয়েছে। বিচারের সময় অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। অত:পর বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে বিজিবি করা হয়। নাম আর পোশাক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত জওয়ানদের মনোবলেও চির ধরানো হয়। নাম পরিবর্তনের পর কিছুদিন বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত প্রহরার সময় বন্দুক না দিয়ে লাঠি দেয়া হয়েছিল; এমন খবর পত্রিকায় বের হয়। শুধু তাই নয় সীমান্ত প্রহরা দেয়া এ বাহিনীকে প্রতিবেশি দেশ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মুখাপেক্ষি করে তোলা হয়। আমাদের বিজিবির জওয়ানরা দেশপ্রেমী। অবশ্যই তারা দেশপ্রেমী এবং দেশের সার্বভৌতত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকরের দৃষ্টান্ত রেখেছে। কিন্তু তাদের সীমান্ত প্রহরার ভিনদেশের বাহিনীর মুখাপেক্ষী করা এবং দেশের অভ্যন্তরে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করায় এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

বিজিবিকে একদিনে ভারতীয় মুখাপেক্ষী করে তোলায় সীমান্তে হত্যাকা- বেড়েছে। প্রায়ই বিএসএফের হাতে প্রাণ দিতে হচ্ছে বাংলাদেশীদের। অতীতে যে বিএসএফের সদস্যরা বিডিআর (বর্তমাবে বিজিবি) জওয়ানদের ভয়ে সব সময় আতঙ্কিত থাকতেন; সেই বিএসএফ এখন থোড়াই কেয়ার করেন বিজিবিকে। আর রাজনৈতিক ব্যবহারের কারণে সাধারণ মানুষ বিজিবিকে তাদের নির্যাতনকারী প্রতিষ্ঠান ভাবতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন?সীমান্ত প্রহরার চেয়ে বিজিবিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বেশি। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ঠেকানো এবং ৫ জানুয়ারীর পাতানো নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনে বিজিবিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি জনগণের ভোটের অধিকারের আন্দোলনকে দমানোর কাজে বিজিবিকে ব্যস্ত রাখা হয়। বিজিবির গুলিতে মৃত্যু হয়েছে মানুষের। এমনকি বিজিবির হাতে ক্রসফায়ারের ঘটনাও ঘটেছে এমন খবর বের হয়। বিজিরি কাজ সীমান্ত পাহারা দেয়া এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অথচ তাদের সেটার চেয়ে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বেশি ব্যবহার হচ্ছে। ২০ দলের লাগাতার অবরোধ কর্মসূচির সময় ১৪ জানুয়ারী সংবাদ সম্মেলন করে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, ‘বিজিবি মানুষ হত্যা করতে চায় না। সে ধরনের নির্দেশও বিজিবির ওপর নেই। তবে মানুষ হত্যা করতে দেখলে এবং নিজে আক্রান্ত হলে জীবন বাঁচানোর তাগিদে যে কোনো আক্রমণ প্রতিহত করবে বিজিবি। প্রয়োজনে অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি দেশ ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা বিঘিœত করে তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিজিবি তাদের কঠোর হাতে দমন করবে। পেট্রোল বোমা হামলাকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ করলে জানমাল রক্ষায় প্রয়োজনে গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়া হতে পারে।’ বিজিবি প্রধানের এ বক্তব্য ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। সুশীল সমাজ প্রশ্ন তোলেন একজন কর্মকর্তা হয়ে তিনি এমন বক্তব্য দিতে পারেন কিনা তা নিয়ে। ২০ দল লাগাতার অবরোধ করেছিল জনগণে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে। আন্দোলনে সহিংসতা হয়েছে, আইনশৃংখলা বাহিনীর নাগরিকের নিরাপত্তা দেয়ার নামে ক্ষমতাসীন দলের অন্যায় আদেশ নির্দেশ পালন করেছে। কখনো কখনো জনগণের মুখোমুখি হয়েছে। এখন শুধু ২০ দলীয় জোট আর ক্ষমতার বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই নয়; সাধারণ মানুষ বিজিবিকে দেখলেও ভয় পায়; দূরে সরে যায়। ২০০১ সালে বড়ইবাড়ি বিডিআর ক্যাম্প আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় হাজার হাজার মানুষ ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তারা বিডিআর জওয়ানদের নানাভাবে সহায়তা করেছে। হাজার হাজার মানুষকে পাশে পেয়ে বিডিআর জওয়াদের মনোবল বেড়ে যায় এবং তারা শক্তিশালী শত্রুপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে দেয়। দেশের জনগণ পাশে থাকায় বিডিআর সেদিন এই সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু নায়েক রাজ্জাককে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীরা ধরে নিয়ে যাওয়ার পর ৫ দিনেও ওই এলাকার স্থানীয় মানুষ রাস্তায় নেমে আসেনি। কারণ বিজিবির সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকার কয়েক বছরে বিএনপি ঠেকানো জন্য বিজিবিকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি করেছে। আন্দোলন ঠেকানোর নামে মানুষের ওপর জুলুম নির্যাতন করিয়েছে। এতে করে গৌরবময় ইতিহাসের অধিকারী বিজিবিকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। যার কারণে বিজিবির প্রতি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি কমে গেছে। বড়ইবাড়িতে বিডিআর জওয়ানদের পক্ষ্যে মানুষ হুংকার দিয়ে নামলেও কক্সবাজারের জনসাধারণ রাস্তায় নামছে না কেন? পত্রিকায় খবর বের হয়েছে অপহৃত নায়েক রাজ্জাক পিতা হয়েছেন। তার স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়েছেন। অথচ রাজ্জাক অন্যদেশে বন্দী; নবজাতক সন্তানের মুখ দেখতে পারছেন না। তাকে উদ্ধারের সরকারি যে উদ্যোগ তাও প্রশ্নবিদ্ধ। যদি ভুল বুঝাবুঝির কারণে গোলাগুলি হয় তাহলে বিজিবির নায়েক রাজ্জাককে মায়ানমারে এভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে কেন? নায়েক রাজ্জাক কোনো সন্ত্রাসী নয়, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নয়। বরং মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে আমাদের সীমায় প্রবেশ করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। অত:পর তার সঙ্গে ভদ্রোচিত আচরণ না করে আরেক দফা অপরাধ করেছে। রাজ্জাক সীমান্ত রক্ষায় দায়িত্ব পালনের সময় অপহৃত হয়েছেন। সরকারের দায়িত্বশীলরা ঘটনাকে হালকাভাবে নিচ্ছে কেন? নায়েক আবদুর রাজ্জাকের এই অপমান কোনো ব্যক্তি আর প্রতিষ্ঠানের নয়; গোটা বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের। নাকি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে ভারতের প্রতি নতজানু মানসিকতার প্রসার মায়ানমারের দিকেও ধাবিত হচ্ছে? যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতার পরিচয় দেয়া বিজিবির এই পরিণতি হলো কেন?

Bangla-Kotir
line seperator right bar ad
sunnati hazz
line seperator right bar ad
RiteCareFront
line seperator right bar ad
Adil Travel Winter Sale front
line seperator right bar ad
starling front
line seperator right bar ad

Prothom-alo Ittafaq Inkilab
amardesh Kaler-Kontho Amader-Somay
Bangladesh-Protidin Jaijaidin Noya-Diganto
somokal Manobjamin songram
dialy-star Daily-News new-york-times
Daily-Sun New-york-post news-paper

line seperator right bar ad

 

 Big

line seperator right bar ad
Rubya Front
line seperator right bar ad

Motin Ramadan front

line seperator right bar ad
 ফেসবুকে বিএনিউজ24
line seperator right bar ad
   আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...
line seperator right bar ad
banews ad templet
 
 
line seperator right bar ad
   ফটোগ্যালারি
  আরো ছবি দেখুন -->> 
line seperator right bar ad
 
    পুরাতন সংখ্যা
banews ad templet