প্রচ্ছদ ধর্ম ও জীবন

হাদীস শরীফের আলোকে মী’রাজ

shab-e-meraj-ডা. মোহাম্মদ খায়রুল বাশার : রজব মাসের ২৭ তারিখের রাতকে শবে মে’রাজ বলা হয়। এই রাতে আঁ হযরত (সা.) ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ করে ছিলেন এবং মহাশূন্যের অনেক গূঢ় রহস্য সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হয়েছিলেন। হযরত আনাছ বিন মালেক হতে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলে করীম (সা.) মে’রাজের রাত সম্বন্ধে বর্ণনা করে বলেছেন, যখন আমি কা’বা শরীফের নিকটবর্তী হাতীম নামক স্থানে শয়ন করেছিলাম, এমন সময় একজন আগন্তুক আমার নিকট এসে আমার বুকের পর হতে নাভী পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থান ছিঁড়ে ফেললেন। তারপর তিনি আমার কলবখানা লইলেন। তার পর ঈমান পূর্ণ স্বর্ণের একটি পাত্র আমার নিকট আনা হল এবং আমার হৃদয়কে পরিষ্কার করে ধুয়ে ইহা ঈমান দ্বারা পূর্ণ করে দেয়া হল এবং ইহাকে পূর্বতন স্থানে রেখে দেয়া হল।
অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, আমার হৃদয় জমজমের পানি দ্বারা ধুয়ে ইহাকে ঈমান দ্বারা ও হেকমত দ্বারা পরিপূর্ণ করে দেয়া হল। তারপর খচ্চরের চেয়ে ছোট, গাধার চেয়ে বড় বোরাক নামের একটি বাহন আমার নিকট আনা হল। আমার যতদূর দৃষ্টি যায় তত দূরে দূরে বাহনটি পা ফেলতে ছিল। আমাকে ইহার উপর চড়ানো হল।
তারপর ইহার উপর সওয়ার হয়ে বায়তুল মোকাদ্দাস আসলাম। অন্যান্য নবীগণ যা দিয়ে সওয়ারী বাঁধতেন, আমি তা দিয়ে বাঁধলাম। তারপর মসজিদে প্রবেশ করে আমি নবীদের জামাতে নিজেকে দেখতে পেলাম। সেখানে হযরত মূসা (আ.) নামায পড়ছিলেন। তাঁর মাথার চুল ছিল কোঁকড়ানো। আমার মনে হলো তিনি যেন সানুয়ার একজন লোকের আকৃতি বিশিষ্ট।
হযরত ঈসা (আ.)-ও নামায পড়ছিলেন। ওরওয়া বিন মাসউদের চেহারার মতো তাঁর চেহারা ছিল। হযরত ইব্রাহীম (আ.)-ও নামায পড়ছিলেন। তোমাদের সঙ্গীর চেহারার মতো তাঁর চেহারা ছিল। নামাযের সময় হলে আমি তাদের ইমাম হলাম। যখন নামায শেষ করলাম কে যেন আমাকে বললো, হে মোহাম্মদ (সা.)! ইনি হচ্ছেন মালেক, দোজখের ফেরেশতা। তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁর দিকে তাকাতেই তিনি প্রথমেই আমাকে সালাম দিলেন।
তারপর জিব্রাঈল (আ.) আমাকে নিয়ে দুনিয়া হতে যে আকাশ দেখা যায় সেখানে পৌঁছলেন এবং ইহার দরজা খুলতে বললেন। প্রহরী ফেরেশতা প্রশ্ন করলেন, আপনি কে? তিনি উত্তর দিলেন- আমি জিব্রাঈল। পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হল- আপনার সঙ্গে কে আছে? তিনি উত্তর দিলেন- হযরত মোহাম্মদ (সা.)। আবার প্রশ্ন করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। তখন বলা হল, মারহাবা। উত্তম অতিথি।
তারপর সেখান হতে প্রহরী ফেরেশতা এসে দ্বার খুলে দিল। যখন আমি ইহাতে প্রবেশ করলাম, সেখানে হযরত আদম (আ.)-কে দেখতে পেলাম। জিব্রাঈল (আ.) আমাকে বললেন, তিনি আপনার আদি পিতা আদম (আ.), তাঁকে সালাম দিন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম এবং তিনি তার উত্তর প্রদান করলেন। তারপর তিনি বললেন, ধার্মিক সন্তানকে মারহাবা! ধার্মিক নবীকে মারহাবা! আমি দেখতে পেলাম যে, হযরত আদম (আ.)-এর ডান পাশে ও বাম পাশে অনেক লোক আছে। যখন তিনি তাঁর ডানপাশে দৃষ্টিপাত করেন, তখন তিনি হাসেন এবং যখন তিনি বামপাশে দৃষ্টিপাত করেন, তখন তিনি কাঁদেন। আমি জিব্রাঈল (আ.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, এর কারণ কী? তিনি উত্তর করলেন, তাদের মধ্যে যারা হযরত আদমের (আ.) ডান দিকে রয়েছেন তারা জান্নাতবাসী! আর যারা তাঁর বাম পার্শ্বস্থিত অসংখ্য লোক তারা দোযখবাসী। যখন তিনি স্বীয় ডান পার্শ্বে দৃষ্টিপাত করেন তখন তিনি হাসেন। আর যখন তিনি তাঁর বাম পার্শ্বে দৃষ্টিপাত করেন তখন তিনি কাঁদেন।
তারপর জিব্রাঈল (আ.) আমার সাথে দ্বিতীয় আসমানে উঠলেন। দরজা খুলবার জন্য বললে প্রশ্ন করা হল- আপনি কে? তিনি উত্তর দিলেন- আমি জিব্রাঈল! পুনরায় প্রশ্ন করা হল- আপনার সঙ্গে কে? তিনি উত্তর দিলেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.)। পুনরায় প্রশ্ন করা হল- তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। তখন বলা হল- মারহাবা! কী উত্তম অতিথি! সে আগমন করল এবং দরজা উন্মুক্ত করা হল। যখন আমি প্রবেশ করলাম, তখন হযরত ইয়াহইয়া (আ.) এবং হযরত ইসা (আ.)-কে দেখতে পেলাম। তাঁরা উভয়েই খালাত ভাই ছিলেন। জিব্রাঈল (আ.) বললেন- ইনি হযরত ইয়াহইয়া (আ.) এবং ইনি হযরত ঈসা (আ.)। আমি তাঁদেরকে সালাম দিলাম এবং তাঁরা উত্তর দিলেন। তারপর তাঁরা বললেন, হে সুযোগ্য নবী! তোমাকে সাদর অভ্যর্থনা জানাচ্ছি। তারপর আমার সাথে হযরত জিব্রাঈল (আ.) তৃতীয় আকাশে উঠলেন। এর দরজা খোলার জন্য বলা হলে প্রশ্ন করা হল, কে? তিনি উত্তর দিলেন, আমি জিব্রাঈল। আবার প্রশ্ন করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.)। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারপর বলা হল, তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা, কী উত্তম অতিথি এসেছেন! অতঃপর ফেরেশতা এসে দরজা খুলে দিল। যখন আমি প্রবেশ করলাম, তখন ইউসুফ (আ.)-কে দেখতে পেলাম। সঙ্গী জিব্রাঈল (আ.) বললেন, ইনি হযরত ইউসুফ (আ.), তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম এবং তিনি উত্তর দিলেন। তারপর বললেন- সুযোগ্য ভ্রাতা ও সুযোগ্য নবী। তোমাকে সাদর অভ্যর্থনা। হযরত ইউসুফ (আ.)-কে পৃথিবীর অধিক সৌন্দর্য দেয়া হয়েছিল।
তারপর হযরত জিব্রাঈল (আ.) আমাকে নিয়ে চতুর্থ আসমানে উঠলেন। দরজা খোলার জন্য বলা  হল। প্রহরী ফেরেশতা প্রশ্ন করলেন, আপনি কে? তিনি উত্তর দিলেন, জিব্রাঈল (আ.)। আবার প্রশ্ন করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, হযরত  মোহাম্মদ (সা.)। প্রশ্ন করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি বললেন- হ্যাঁ। ইহা শ্রবণ করে প্রহরী ফেরেশতা বললো, তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা। কী উত্তম অতিথি! তারপর সে দরজা খুলে দিল। যখন আমি প্রবেশ করলাম, তখন হযরত ইদ্রিস (আ.)-কে দেখতে পেলাম। হযরত জিব্রাঈল (আ.) বললেন- এই হযরত ইদ্রিস (আ.)। তাঁকে সালাম দিন। আমি তাঁকে সালাম দিলে তিনি ইহার উত্তর দিলেন। তারপর তিনি বললেন- সুযোগ্য ভ্রাতা ও সুযোগ্য নবী! তোমাকে সাদর অভ্যর্থনা।
তারপর আমাকে নিয়ে তিনি পঞ্চম আকাশে উঠলেন। এর দরজা খোলার কথা বলা হল। প্রশ্ন করা হল, আপনি কে? তিনি উত্তর দিলেন, জিব্রাঈল (আ.)। পুনরায় প্রশ্ন করা হল, আপনার সঙ্গে কে আছেন? তিনি বললেন- হযরত মোহাম্মদ (সা:)। প্রশ্ন করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি উত্তর করলেন, হ্যাঁ। এমন সময় বলা হল তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা। কী উত্তম অতিথি! সে দরজা খুলে দিল। আমি ভিতরে প্রবেশ করে দেখলাম, সেখানে হযরত হারুন (আ.)। জিব্রাঈল (আ.) বললেন, ইনি হযরত হারুন (আ.), তাঁকে সালাম দিন। তাঁকে আমি সালাম দিলাম এবং তিনি ইহার উত্তর দিলেন। তারপর তিনি বললেন- সুযোগ্য ভ্রাতা এবং নবীকে সাদর অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করছি।
তারপর তিনি আমাকে ষষ্ঠ আকাশে নিয়ে গেলেন। ইহার দরজা খুলতে বলা হল। তখন প্রশ্ন করা হল, আপনি কে? তিনি উত্তর দিলেন- জিব্রাঈল (আ.)। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে রয়েছেন? তিনি বললেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.)। বলা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। বলা হল তঁােক সাদর অভ্যর্থনা। কী উত্তম অতিথি! সে এসে দরজা খুলে দিল। আমি ভিতরে প্রবেশ করে দেখলাম, হযরত মূসা (আ.)। জিব্রাঈল (আ.) বললেন, ইনি হযরত মূসা (আ.), তাঁকে সালাম দিন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম এবং তিনি এর উত্তর দিলেন। তারপর তিনি বললেন- সুযোগ্য ভ্রাতা ও নবীকে অভ্যর্থনা। আমি যখন তাঁকে অতিক্রম করছিলাম, তখন তিনি কেঁদে উঠলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল- আপনি কী জন্য কাঁদছেন? তিনি উত্তর করলেন- আমার পরে যিনি রাসূল হবেন, তাঁর উম্মত আমার উম্মতের চেয়ে বেশি সংখ্যায় বেহেশতে যাবে। এই দুঃখে আমি কাঁদছি।
তারপর জিব্রাঈল (আ.) আমাকে নিয়ে সপ্তম আকাশে উঠলেন। এর দরজা খোলার জন্য বলা হল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কে? তিনি বললেন- জিব্রাঈল (আ.)। প্রশ্ন করা হল, আপনার সঙ্গে কে আছেন? তিনি বললেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.)। পুনরায় প্রশ্ন করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? উত্তর দেয়া হল, হ্যাঁ। তখন বলা হল, তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা। কী উত্তম অতিথি! যখন আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম, সেখানে দেখলাম হযরত ইব্রাহীম (আ.)। জিব্রাঈল (আ.) বললেন, ইনি আপনার পূর্বপুরুষ হযরত ইব্রাহীম (আ.)। তাঁকে সালাম দিন। আমি তাঁকে সালাম দিলে তিনি উত্তর দিলেন। পরে তিনি বললেন- সুযোগ্য সন্তানকে এবং সুযোগ্য নবীকে সাদর অভ্যর্থনা। হযরত ইব্রাহীম (আ.) বায়তুল মামুরের সঙ্গে পৃষ্ঠ দিয়ে বসেছিলেন। দৈনিক তাঁর নিকট সত্তর হাজার ফিরেশতা যায়। কিন্তু তারা তাঁর নিকট পুনবার ফিরে আসে না।
তারপর ছেদরাতুল মোনতাহা পর্যন্ত আমাকে উঠানো হল। এটা বিরাট এক বৃক্ষ। এর ফলগুলো আরবের হাযর প্রদেশের মটকীর ন্যায় বড় বড় এবং ইহার পাতাগুলো হাতীর কানের ন্যায় চওড়া। হযরত জিব্রাঈল (আ.) বললেন- এটা ছেদরাতুল মোনতাহা। সেখানে আমি চারটি নদী দেখলাম। দু’টি গুপ্ত এবং দুটি প্রকাশ্য। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে ভাই জিব্রাঈল! এর অর্থ কী? তিনি বললেন, গুপ্ত দু’টি নদী হল বেহেশতের এবং প্রকাশ্য দুটি নদী হলো নীল নদ ও ফোরাত নদী। আল্লাহ পাকের আদেশে ঢাকবার জিনিস যখন একে ঢেকে ফেলে তখন-এর পরিবর্তন হয় আর আল্লাহপাকের সৃষ্টির ভেতর এমন কেউ নেই যে, এর সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে পারে! আর এতে অনেক রং আছে। আমি জানি না যে, তার কী রং আর পৃথিবী হতে যা উত্থিত হয় তা এখানেই পৌঁছে এবং ইহা হতে তা’গ্রহণ করা হয়। আর ইহার উপর হতে যা অবতরণ করে, তা এখানেই পৌঁছে এবং তারপর ইহা হতে গ্রহণ করা হয়।
যখন আমাকে বায়তুল মামুরে উঠানো হল তখন আমার নিকট এক পেয়ালা দুধ, এক পেয়ালা মধু এবং এক পেয়ালা মদআনা হলো। আমি দুধের পেয়ালাটি গ্রহণ করলাম। হযরত জিব্রাঈল (আ.) বললেন- ইহাই প্রকৃতিগত স্বভাবধর্ম। আপনি এবং আপনার উন্মতগণ এই স্বভাব ধর্মের উপরই রয়েছেন।
তারপর আল্লাহ পাক যা ইচ্ছা করলেন, তা’ আমার নিকট বললেন। তারপর আমার উপর দৈনিক পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হল। আমি প্রত্যাবর্তনকালে হযরত মূসা (আ:)-এর নিকট দিয়ে যাবার সময় তিনি বললেন, আপনাকে কী আদেশ দেয়া হয়েছে? আমি উত্তর করলাম, দৈনিক পঞ্চাশ বার নামাজের আদেশ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন-আপনার উম্মতগণ পঞ্চাশবার নামাজ পড়তে সমর্থ হবে না। আল্লাহ পাকের কসম, আপনার পূর্বের লোক সম্বন্ধে আমার অভিজ্ঞতা আছে এবং বনী ইসরাঈলকে আমি অনেক উপদেশ দিয়েছি। আপনি আল্লাহর নিকট ফিরে যান এবং তাঁকে আপনার উম্মতের জন্য নামাজ আরো সংক্ষেপ করতে বলুন। আমি ফিরে গেলে দশ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ কমিয়ে দিলেন। তারপর মূসা (আ.)-এর নিকট ফিরলে তিনি তদ্রুপ বললেন। আমি ফিরে গেলাম এবং আল্লাহ পাক আরো দশ ওয়াক্ত নামাজ কমিয়ে দিলেন। আমি তারপর মূসা (আ.)-এর নিকট ফিরে গেলে তিনি পূর্বের মতোই আমাকে বললেন। আমি আবার ফিরে গেলাম এবং আল্লাহপাক আরো দশ ওয়াক্ত নামাজ কমিয়ে দিলেন। তারপর আমি মূসা (আ.)-এর নিকট ফিরলে তিনি আমাকে পূর্বের ন্যায় বললেন। আমাকে কেবল দশ ওয়াক্ত নামাজের আদেশ দেয়া হল। তারপর আমি মূসা (আ.)-এর নিকট ফিরে গেলে তিনি পূর্বের ন্যায়ই বললেন। আমি আল্লাহর কাছে ফিরে গেলাম। তখন আমাকে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আদেশ দেয়া হল। আমি মূসার (আ.) নিকট ফিরে গেলে তিনি আমাকে কত ওয়াক্ত নামাজের আদেশ দেয়া হয়েছে জিজ্ঞেস করলে আমি বললাম, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আদেশ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আপনার উন্মতগণ ইহাও পারবে না। আপনার পূর্বে বনী ইসরাঈলগণ সম্বন্ধে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে। আপনি আল্লাহর নিকট ফিরে যান এবং আপনার উন্মতগণের জন্য নামাজ সংক্ষেপ করতে বলুন। নবী করমী (সা.) বললেন- আমি আল্লাহর নিকট এত চেয়েছি যে, পুনর্বার চাইতে আমার লজ্জাবোধ হল। আমি তাতেই রাজি হয়েছি এবং মেনে নিয়ে এসেছি। রাসূলে করীম (সা.) আরো বলেন, আমি ফিরবার সময় শুনলাম কে যেন বলছে, আমার ফরজগুলো আজ প্রজ্বলিত করে দিলাম এবং আমার বান্দার বোঝা হালকা করে দিলাম।
শবে মে’রাজে এই অলৌকিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল বলেই এই রাতের মরতবা ও ফযিলত এত বেশি। এই রাতে নফল নামাজ পাঠ করা অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ ইবাদত।
- See more at:

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

ধর্ম ও জীবন : সকল সংবাদ

আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...