প্রচ্ছদ মানবাধিকার

৫ মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ৯৫ জন : অধিকার

a89754বিএ নিউজ : দেশে গত পাঁচ মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন ৯৫ জন। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পায়ে গুলি করেছেন ৩০ জনের। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের এক প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এই সময় গুম হয়েছেন ৩৬ জন।
অধিকার জানায়, নিহতদের মধ্যে ৭৩ জন ক্রসফায়ারে, ১৩ জন গুলিতে, পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে দু’জনকে, শ্বাসরোধ করে হত্যা একজনকে, নির্যাতনে নিহত হয়েছেন তিনজন এবং অন্যান্য ঘটনায় আরো তিনজন। নিহতদের মধ্যে জানুয়ারি মাসে ১৮ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৮ জন, মার্চে ১২ জন, এপ্রিলে ৯ জন এবং মে মাসে ১৮ জন।
অধিকারের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানুয়ারিতে গুম হয়েছেন ১৪ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১০ জন, এপ্রিলে দু’জন এবং মে মাসে গুম হয়েছেন একজন।
অধিকার জানায়, এই সময়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। পাঁচ মাসে বিএসএফের হাতে নিহত হয়েছেন ২০ জন বাংলাদেশী, আহত হয়েছেন ২৯ জন এবং অপহৃত হয়েছেন ১৬ জন বাংলাদেশী।
অধিকার জানায়, গত পাঁচ মাসে দেশে ৪৬ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন আরো ১৪ জন। লাঞ্ছিত হয়েছেন তিনজন, গ্রেফতার হয়েছেন পাঁচজন। পাঁচ মাসে দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৩৩ জন নারী ও শিশু। যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৬২ জন, যৌতুক ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৭৩ জন। অধিকারের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানুয়ারি মাসে ৩৩ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪৪ জন, মার্চে ৪০ জন, এপ্রিলে ৪১ জন এবং মে মাসে ৭৫ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
গত পাঁচ মাসে দেশে গণপিটুনির শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন ৫৭ জন। পাঁচ মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩৭ জন। এতে আহত হয়েছেন এ বৈঠকে পশ্চিমা দেশসহ জাতিসঙ্ঘের সংস্থাগুলো সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসনের জন্য মূল কারণ হিসেবে রোহিঙ্গা সমস্যাকে চিহ্নিত করেছেন। তারা এ প্রক্রিয়ার উৎসে সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড ও জাতিসঙ্ঘের সংস্থাগুলো রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য সরাসরি মিয়ানমার সরকারকে দায়ী করেছে।
তিনি বলেন, এর আগে অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারিত হলে মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধিরা সভাকক্ষ ত্যাগ করে চলে যেতেন। ব্যাংকক বৈঠকের আগেও মিয়ানমার শর্ত দেয় রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করা যাবে না। তবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়ায় অভিবাসনের চেষ্টা করতে গিয়ে সম্প্রতি অভিবাসন প্রত্যাশীদের যে মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকক বৈঠকে মিয়ানমারের শর্ত মানা হয়নি। আর এবারই প্রথম মিয়ানমার প্রতিনিধিরা বৈঠক ছেড়ে বের হয়ে যাননি। তারা বলেছেন, তাদের দেশ মানবপাচার রোধে সবার সাথে কাজ করবে। তবে সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসনের জন্য কেবল মিয়ানমারকে দোষ দেয়া যাবে না।
ওই কর্মকর্তার মতে, ব্যাংকক বৈঠকের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার ব্যাপকতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে। এতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধানের একটি পথ তৈরি হলো।

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

মানবাধিকার : সকল সংবাদ

আজকের এই দিনে
লোকে-যারে-বড়-বলে-বড়-সেই-হয়
আবদুল আউয়াল ঠাকুর : বাংলা প্রবচন হচ্ছে, আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়, লোকে যা বড় বলে বড় সেই হয়। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন হওয়ার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি কেন্দ্র করে এমন কিছু...