প্রচ্ছদবাংলাদেশ

কারো প্রভুত্ব মেনে নেয়া হবে না

মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদ জিয়া নতুন বাংলা বছরে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেনে, এ দেশের মানুষ কখনো কারো প্রভুত্ব মেনে নেবে না। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীর ব্যাপারে হস্তক্ষেপও জনগণ সহ্য করবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। অনলাইন পত্রিকা শীর্ষ খবর খালেদা জিয়ার বক্তব্য এভাবে উদ্ধৃত করেছে।
ভারতের প্রতি ইঙ্গিত করে বেগম জিয়া বলেন, বাংলাদেশের অবস্থা দেখে অনেকে এগিয়ে আসতে চায় অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার জন্য এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের নামে দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে imageBBBBsদেশকে দুর্বল করার জন্য। বাংলাদেশে যখন ৮ কোটি লোক ছিলো নিজেরা ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলো। আজকে ১৬/১৭ কোটি লোক ঐক্যবদ্ধ, তাদের কারোর সাহায্যের প্রয়োজন নাই। তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমরা সকলকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই, কিন্তু কেউ যদি আমাদের বন্ধু হয়ে প্রভু হতে চায়, সেটা আমরা কখনো মেনে নেবো না, মানবো না। কারো প্রভুত্ব বাংলাদেশের মানুষ স্বীকার করবে না।
বেগম জিয়ার এমন বক্তব্য বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক মানুষের কথাই অনুরণিত হয়েছে। তিনি মূলতঃ ভারতের সাথে সাক্ষরিত ২২টি চুক্তি ও সমঝোতার প্রতি ইঙ্গিত করে ভারতের উদ্দেশ্যেই এমন সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। এসব চুক্তির কোনটিরই বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয় নি। এ গোপনীয়তাই হলো অশনির সংকেত। আমাদের সংবিধানে একটি বিশেষ ধারা তথা বাধ্যবাধকতা ছিল, যাতে বলা হয়েছে: কোন দেশের সাথে স্বাক্ষরিত যেকোন চুক্তি জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হতে হবে। কিন্তু কোন চুক্তিই এ পর্যন্ত সংসদে উপস্থাপিত হয় নি।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, এমনকি জাতীয় সংসদও জানে না ভারত সরকারের চাপিয়ে দেয়া এসব চুক্তিতে কি লেখা আছে। শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশে ভারতের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও অনুগত আমলা, সংশ্লিষ্টমন্ত্রী বাহিনী ছাড়া অন্যকেউ জানে না, বাংলাদেশ এসব চুক্তির মাধ্যমে কি খুইয়েছে। 
তথ্যাভিজ্ঞমহল মনে করেন, এ চুক্তি সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও উদ্যোগে মূলত ভারতের স্বার্থেই হয়েছে এবং চুক্তির সমুদয় শর্তাবলী ভারতই লিখেছে। কেবল লোক-দেখানো রীতি হিসেবে বাংলাদেশকে পূর্বাহ্নে সেগুলো দেখার দেয়ার জন্য দেয়া হয়েছে। একে সংশোধনের কোন কথাই ভারত শুনতে চায় নি। বাংলাদেশ কেবল সেগুলোতে স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তিতে ভয়াবহ শর্ত রয়েছে বলেই ভারত এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চুক্তির বিষয়াবলীকে গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ লুকোচুরি হতে এমন সন্দেহের সূচনা হওয়া স্বাভাবিক যে, এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পৃথক অস্তিত্ব ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী ধারার উল্লেখ রয়েছে, যা এ মুহূর্তে প্রকাশ করা হলে দেশে গণ-বিস্ফোরণ সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া জনসমক্ষে প্রকাশ না করেই যদি সেগুলো বাস্তবায়িত করা হয়, তবে প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা থাকে না।
অনেকেই মনে করেন, এ চুক্তি বলে ভারত বাংলাদেশের মূল নিয়ন্ত্রতা হয়ে গেছে, যা বাংলাদেশকে বর্তমান ভূটানের চেয়েও অসহায় অবস্থায় ঠেলে দিবে। সামরিক কর্মকর্তাদের সফর বিনিময় কিংবা আমাদের সৈন্যদের তথাকথিত প্রশিক্ষণ দানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর বর্তমান কর্মকর্তা, এমনকি সিপাহী পর্যায়ের লোকদেরকে নানা ধরনের পার্থিব সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাদেরকে বশে আনা তথা আজ্ঞাবহ হিসেবে তৈরি করা, ধীরে ধীরে একে ভারতায়িত করা, যাতে ভারত বাংলাদেশকে গিলে ফেলার বিপর্যয়কর পদক্ষেপ নেয়ার পরেও তারা যেন অন্ধভাবে তা মেনে নেয়া, সে পদক্ষেপকে বাংলাদেশের জনগণের মঙ্গল হিসেবে সাফাই গায় । 
সে আলামত ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। ক্ষমতা ও স্বার্থের কাছাকাছি থাকা লোকজন ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোকে দেশের মঙ্গলের আধার বলে প্রচার করছেন। চুক্তির বিষয়াবলী না দেখেই স্বার্থ ও ক্ষমতার মোহে তারা এমন অন্ধ প্রচারণা চালাচ্ছেন । ক্ষমতা ও স্বার্থের লোভ তাদের বিবেক থেকে দেশপ্রেম কিংবা দেশের শত্রু-বন্ধু চিহ্নিত করার মেধা মছে ফেলেছে। এ কারণেই ভারতের স্বার্থে ভারতের ইচ্ছে ও চাহিদামাফিক ভারতের প্রযোজিত ও রচিত চুক্তিকে দেশের জন্য শুভ হিসেবে জাহির করতে তাদের বিবেকে বাধে না । মীরজাফর জগৎশেঠ উমিচাঁদ রায়দুর্লভ মানিক চাঁদ ঘষেটি বেগম মিরণরা পলাশী প্রান্তরে সিরাজের পরাজয়ে উল্লসিত হয়ে তাকে ইংরেজদেরকে অভিনন্দিন জানিয়েছিল। ক্ষমতায় থাকার বিনিময়ে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি করে খুশির ঠেলায় শেখ হাসিনা দাদাবাবু/কাকাবাবুদেরকে ইলিশ রান্না করে খাইয়েছেন, যা ইতিহাসে নতুন খোরাক। ভারত মনে করে  বাংলাদেশ দখলের জন্য তাকে যুদ্ধ করতে হবে না, এ চুক্তিটিই বাংলাদেশকে ভারতভুক্ত করতে যথেষ্ঠ, যা করার জন্য ভারত ছিল মরিয়া।
ভারতের বিভিন্ন মহল থেকে শেখ হাসিনাকে অতি-প্রশংসাই প্রমাণ করে এ চুক্তিতে বাংলাদেশ কেমন জঘন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভারতের বহুমুখ চিনতে ব্যর্থ হয়েই শেখ হাসিনা চুক্তির নামে দেশের সর্বনাশ করলেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভারতের লাল-গালিছা সংস্কৃতিই শেষ  কথা নয়। ভারতের বেতনভূক গোলাম সিকিমের লেন্দ্রপ দর্জ্জি দিল্লী গেলে তাকেও এক সময় লাল গালিছা সম্বর্ধনা দেয়া হতো। ভারতীয় রাজনীতিক ও মিডিয়া তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিল । লেন্দ্রুপ দর্জি সিকিমকে ভারতভুক্ত করার সময়  এ পদক্ষেপের মধ্যে সিকিমের কল্যাণ রয়েছে বলে ওকালতি করেছিল। ১৯৭৪ সিকিমকে ভারতের হাতে তুলে দেয়ার ৫ বছরের মাথায় ভারত গোলাম লেন্দ্রুপ দর্জিকে থুতুর মতো ফেলে দিয়ে, নতুন গোলামকে সামনে আনে । ২৮ জুলাই ২০০৭ সনে ১০২ বছর ২৯০ দিন বয়সী লেন্দ্রুপ একেবারে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। এ দীর্ঘ সময় তার স্বদেশবাসী (তাকে বিশ্বাসঘাতক দেশদ্রোহী হিসেবেই ধিকৃত করে) তো দূরের কথা, তার প্রভু ভারতও তার খবর রাখার প্রয়োজন মনে করে নি। তার দুঃখবোধ মনোবেদনা কিংবা আক্ষেপ শোনার জন্য দু’একজন সাংবাদিক ছাড়া আর কেউই ছিলেন না। 
ভারত এখন আমাদেরকে লেন্দ্রুপ দর্জির সিকিমের চেয়ে বেশি কিছু মনে করে না। আমাদের অদূরদর্শী ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্বের জন্যই ভারতের এমন মানসিক ও মনস্তাত্তিক শক্তি তৈরি হয়েছে যে, সিকিমের কায়দায় কেবল বেতনভোগী চরদের সহযোগিতায় পাতানো শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কিংবা বিনা বাধায় যুদ্ধ ছাড়াই বাংলাদেশকে খেয়ে ফেলা যাবে।
কিন্তু বাংলাদেশী লেদ্রুপদর্জির প্রেতাত্মাদের ভূমিকা দেখে ভারত সিকিমের কায়দায় আমাদের গায়ে হাত দিতে আসলে সে হাত পুড়ে যাবে। কারণ সিকিম আর বাংলাদেশ আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ২০১১ সনের আদম শুমারী অনুযায়ী সিকিমের জনসংখ্যা ছিল ৬ লাখ ১০ হাজার ৫৭৭। এ সংখ্যা ১৯৭১ সনে ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৮৪৩, যা বাংলাদেশের বহু ইউনিয়নের চেয়েও কম। ১৯৭৪ সনে সিকিমবাসী ভারতের বিশ্বাসঘাকতা বুঝতেই পারেন নি যে, ভারত লেদ্রুপ দর্জিকে দিয়ে চৌগিয়াল (রাজা)কে উৎখাত করে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য কী? ভারত একদিকে চৌগিয়ালকে রক্ষা করার জন্য সিকিমে সেনা মোতায়েন করে, আবার লেদ্রুপ দর্জিকে দিয়ে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলন করায়। আর সিকিমকে গিলে ফেলার জন্য লেদ্রুপ দর্জি সিকিম সংসদে সিকিমের ভারতভূক্তি বিল পাস করায়। আর চৌগিয়ালকে পাহারা দেয়ার কাজে নিয়োজিত ভারতীয় সৈন্যরা ৩০ মিনিটের অভিযানে চৌগিয়ালের অনুগত সিকিমী প্রহরীদের কাবু করে চৌগিয়ালকে পুরোপুরি ক্ষমতাচ্যুত করে। ভারত বাংলাদেশে সিকিম ট্রাজেডির পুনঃমঞ্চায়ন করতে চায়। 
কিন্তু সিকিম আর বাংলাদেশের পরিস্থিতি এক নয়। বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্য কমপক্ষে ১৭ কোটি এবং এদের ৯০%ই মুসলিম; যাদের দাদা-নানা, এমনকি বাবা-চাচা-মামারা ১৯৪৭ সনে ভারতের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের অত্যাচার-অপমান ও বৈষম্য হতে মুক্তি পাবার জন্য পৃথক মুসলিম আবাভূমি তথা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। তা’ছাড়া ১৯৪৭ হতে পরবর্তী ২৩ বছর এবং ১৯৭১ সনের পর হতে বিগত ৪৬ বছর আমরা স্বাধীন হবার কিংবা স্বাধীন থাকার গুরুত্ব ও সুফল অনুভব করেছি। এখন আমরাই আমাদের শাসক। আমরাই আমাদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, সেনাবাহিনী প্রধান, সচিব, রাষ্ট্রদূত। আমাদের রয়েছে নিজস্ব সীমান্ত, স্বাতন্ত্র্য, স্বাধীন পতাকা, জাতীয় সংসদ, আমাদের রাজধানী। 
ভারতের হাজারো চক্রান্ত এবং অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা সত্বেও আমরা সমৃদ্ধি অর্জন করেছি। আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চল ভারতে চেয়ে কয়েকগুণ এগিয়ে গেছে। আমাদের গ্রামীণ কুটিরগুলো এখন হয়তো পাকা বাড়ি কিংবা কমপক্ষে টিনের ঘর। গ্রামীণ সাঁকোর জায়গায় পাকা সেতু। দরজাবিহীন ভাঙ্গা স্কুলগুলো দ্বিতল-ত্রিতল দালান। কাঁচা রাস্তাগুলো  পাকা। চেরাগের জায়গা দখল করেছে বৈদ্যুতিক বাতি। গরুর গাড়ি-পালকি-নৌকা উধাও হয়ে এসেছে সিএনজি-চালিত বেবিটেক্সি-মটরগাড়ি-মোটর সাইকেল কিংবা কমপক্ষে রিক্সা। গ্রামীণ বধুদের ঢেঁকি পালিয়েছে জাদুঘরে। গ্রামীণ বাড়িতে সেনিটারি ল্যাট্রিন। গ্রামে গ্রামে ইন্টারনেট সুবিধা। গার্মেন্ট্সকর্মী এমনকি রিক্সাওয়ালার হাতেও সেলফোন। ঘরে ঘরে রঙিন টিভি, ফ্রিজ, আধুনিক জীবনের ছোঁয়া। আমাদের জনগণ কেন স্বাধীনতা-সমৃদ্ধি হারিয়ে ফরিক ভারতে যোগ দিয়ে তাদের অর্জন, সাফল্য, সমৃদ্ধি বিসর্জন দিয়ে ভারতীয়দের ঝি-চাকর হবেন ? 
আবার ১৭/১৮কোটি বাংলাদেশী মুসলমানদের কথায় ফিরে আসি। ১৯৭১ সনে ৭ কোটি পূর্ব পাকিস্তানী মুসলিম ভারত থেকে কোন সাহায্য পাওয়ার আশ্বাস  না পেয়েই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন । ঐ সময়ে আমরা ছিলাম দরিদ্র, অশিক্ষিত, আমরা ছিলাম শাসিত। এখনকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। ১ কোটি বাংলাদেশী কেবল বহির্বিশ্বেই রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৯% বাংলাদেশের সিকিমের ভাগ্যবরণ মেনে নিবেন না । কাশ্মীরের শেখ আব্দুল্লাদের মতো ক্ষমতালোভী মীরজাফরদেরকে দিয়ে  ভারতের ৭ লাখ নিয়মিত সেনাবাহিনী ৭০ বছর যাবত যুদ্ধ করেও কাশ্মীরকে দখলে রাখতে পারছে না। ২০১৫ সনের হিসেব অনুযায়ী জম্মু-কাশ্মীরের অনুমিত লোকসংখ্যা ৮৫ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৫। আর আমরা ১৮ কোটি। সুতরাং আমাদের ক্ষেত্রে হিসেবটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ বিপুল জনসংখ্যাই আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ, স্বাধীনতার সেরা রক্ষাকবচ। ভারত চাইলেও কিংবা লেন্দ্রুপ দর্জিদের হাতে রাখলেই বাংলাদেশকে গিলতে পারবে না। 
বেগম খালেদা জিয়া এ কথাই বলতে চেয়েছেন। আমি তার কথারই প্রতিধ্বনি করছি। জাতীয়তাবাদী শক্তির নেত্রী হিসেবে বেগম জিয়ার উপর ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। তার মন্তব্যে স্বদেশে-প্রবাসে বাংলাদেশীরা উজ্জীবিত হয়েছেন। আমাদের প্রত্যাশা হাজারো প্রতিকূলতা সত্বেও তিনি কথা ও কাজে অভিন্ন ও অটুট থাকবেন। সব জাতীয়তাবাদী শক্তির সমন্বয়ে দেশের সার্বিক স্বার্থ, অস্তিত্ব, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইস্পাত-কঠিন ঐক্য গড়ে তুলবেন। দেশের স্বার্থ ও অস্তিত্বের প্রশ্নে আপোষহীন থাকবেন। ভীতি কিংবা ধমকে মুছড়ে পড়বেন না। আমাদের ক্ষমতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ, দিল্লী নয়।*
 
লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক

Email: এই ইমেইল ঠিকানাটি spambots থেকে রক্ষা করা হচ্ছে। এটি দেখতে হলে আপনার জাভা স্ক্রিপ্ট সক্রিয় থাকতে হবে।

 
Adil Travel Winter Sale 2ndPage

বাংলাদেশ : সকল সংবাদ

আজকের এই দিনে
লোকে-যারে-বড়-বলে-বড়-সেই-হয়
আবদুল আউয়াল ঠাকুর : বাংলা প্রবচন হচ্ছে, আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়, লোকে যা বড় বলে বড় সেই হয়। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন হওয়ার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি কেন্দ্র করে এমন কিছু...