প্রচ্ছদবাংলাদেশ

চীনের মোকাবিলা : পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় বিমান বাহিনীর মূল ঘাঁটি!

পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর মূল ঘাঁটি? কলকাতাভিত্তিক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল দাবি করেছে, চীনকে মোকাবিলার জন্য ভারত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

এখানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলোঅনেক ঠেকে শিখেছে ভারত৷ফলে ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও তাকে অনেক হুঁশিয়ার হতে হয়েছে। 89950 154কমিউনিস্ট চীনের সঙ্গে ভারতের এখন সম্পর্ক ভালো৷তা বলে চোখ বুজে ভরসা করার খেসারত জওহরলাল নেহরুকে যেভাবে দিতে হয়েছিল, সে কথা ভুললে চলবে কেন? এ কথা মাথায় রেখেই চিনের ক্রমবর্ধমান সমরসজ্জার পালটা হিসাবে এবার পশ্চিমবঙ্গকে রণনৈতিক ঘাঁটি হিসাবে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগানোর কথা ভাবছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। দেশের পূর্ব সেক্টরে মূলত পশ্চিমবাংলাকে কেন্দ্র করেই প্রতিরক্ষা ঢেলে সাজা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।১৯৭১-এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ৪৫ বছর পার হয়ে গিয়েছে। তার আগে হয়েছে ১৯৬৫-র যুদ্ধ৷ কিন্তু পাকিস্তান বরাবরই ছিল ভারতের দুশমন৷ ভারতের পক্ষে সব চাইতে বড় আঘাত এসেছিল মাও সে তুংয়ের লালচীনের দিক থেকে৷ ১৯৬২ সালে৷নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর একইসঙ্গে পূর্ব এবং পশ্চিম দুই সেক্টরকে যুদ্ধের উপযুক্ত পরিকাঠামোয় মজবুত করার কথাবার্তা শুরু হয়৷ঠিক যেমন বহু দিন বাদে শোনা যায় ভারতের নিজস্ব যুদ্ধবিমান ‘তেজসে’র আবির্ভাবের কথা৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই পরিকল্পনা অনুসারেই এ বছর এ রাজ্যে নতুন করে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বেসগুলির পুনর্নির্মাণের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এই কর্মসূচিতে রয়েছে নতুন ১২টি এয়ারস্ট্রিপ। যার মধ্যে অনেকগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পরিত্যক্ত হয়ে গিয়েছিল। সেগুলিকে আবার নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডায় এমনিতেই ভারতের বিমানবাহিনীর বড় এয়ারবেস রয়েছে। সেইসঙ্গে নতুন এয়ারবেস হিসেবে বর্ধমানের পানাগড়কেও সাজিয়ে তোলার কথা ভাবা হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পানাগড় ছিল পূর্ব ভারতের বুকে ব্রিটিশ এবং মার্কিন এয়ারফোর্সের সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেস৷ নতুন প্ল্যানে সেই পানাগড়কে আবার জাগিয়ে তোলার কথা ভাবা হয়েছে৷ কলাইকুণ্ডার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের হাসিমারায় একটি ফাইটার এয়ারক্রাফট বেস ও বাগডোগরায় ফাইটার এয়ারক্রাফট ও ট্রেনিং বেস রয়েছে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরে রয়েছে হেলিকপ্টার স্টেশন। কিন্তু, চিনের সমরসজ্জার কথা মাথায় রেখে পূর্ব সেক্টরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর শক্তি আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সে কারণেই এই নতুন উদ্যোগ তারা নিয়েছে।জানা গিয়েছে, আধুনিকীকরণের প্রক্রিয়া এর মধ্যেই পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে হাসিমারায়। এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে মিগ-২৭ এয়ারক্রাফট। তার বদলে এই দুটি স্কোয়াড্রনে যুক্ত করা হবে মাল্টি-রোল এয়ারক্রাফট। একদিকে এভাবে যখন উত্তরবঙ্গে শক্তিশালী এয়ারবেসের পরিকল্পনা রূপায়ণ পুরোদমে চলছে তখন অন্যদিকে, আসানসোল, হিজলি, চাকুলিয়া, পিয়ারডোবা, ধুবুলিয়া, গড়বেতা, গুসকরা, ঝাড়গ্রাম, কাঁচড়াপাড়া, পাণ্ডবেশ্বর, পুরুলিয়া ও শালবনীর পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপগুলিও নতুন করে সাজানো হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত এই এয়ারস্ট্রিপগুলিরও পুনর্নির্মাণ হবে। বড় এয়ারবেসগুলিকে সাহায্য করতে এগুলি ব্যবহার করা হতে পারে।বাংলাদেশ গঠনের পর পূর্ব ভারতে বিমানবাহিনীর শক্তি বাড়ানোর কথা তেমনভাবে আর ভাবা হয়নি। পাকিস্তান হটেছে, আপদ চুকেছে, অতএব পূর্ব সেক্টরে চিন্তা ঘুচেছে, এটাই তখন ভাবা হয়েছিল৷ কিন্তু বর্তমানে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি যেভাবে আবার ভারতীয় পূর্ব সীমান্তে ক্রমান্বয়ে আনাগোনা শুরু করেছে, তাতে পূর্ব কমান্ডে সমরশক্তি আরও বাড়ানোর তাগিদ অনুভব করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। রণনৈতিক সামর্থ্য বাড়াতে পানাগড়ে তৈরি হবে মাউন্টেন স্ট্রাইক কোরের বেস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই এয়ারবেসটি গঠন করে মার্কিন বিমানবাহিনী। পরে অসামরিক বিমান পরিষেবা মন্ত্রক এর তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেয়। একাত্তরের যুদ্ধের সময় ফের এই এয়ারবেসের দখল নেয় ভারতের বিমানবাহিনী। পরে সেখানে মিগ ২১-এর দুটি স্কোয়াড্রন মোতায়েন করা হয়।মনোহর পারিক্করের মন্ত্রকের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পানাগড়ে সি-১৩০ জে সুপার হারকিউলিসের দ্বিতীয় বৃহত্তম বেস তৈরি হবে৷ তাতে চিনের সঙ্গে লড়াই বাধলে লজিস্টিকস সংক্রান্ত সহায়তা পেতে ভারতীয় সেনা ও বিমানবাহিনীর খুব সুবিধা হবে। এছাড়া জ্বালানিবাহী বড় ট্যাংকার প্লেন সহ অন্য নানা ধরনের সামরিক বিমানও সেখানে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের এক অফিসার। এর আগে ওডিশার চরবাটিয়ায় সি-১৩০ জে সুপার হারকিউলিসের বেস তৈরির কথা ছিল। কিন্তু মাউন্টেন কোরের হেডকোয়ার্টার্স পানাগড়ে করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় পুরানো প্ল্যান বদলে ফেলা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, সি-১৩০ জে সুপার হারকিউলিসকে প্রাথমিকভাবে স্পেশাল অপারেশন এয়ারক্রাফট হিসেবে কাজে লাগানো হবে।

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

বাংলাদেশ : সকল সংবাদ

আজকের এই দিনে
লোকে-যারে-বড়-বলে-বড়-সেই-হয়
আবদুল আউয়াল ঠাকুর : বাংলা প্রবচন হচ্ছে, আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়, লোকে যা বড় বলে বড় সেই হয়। সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন হওয়ার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি কেন্দ্র করে এমন কিছু...