প্রধানমন্ত্রীর ভাষা – বলুন ছন্দে ছন্দে মনের আনন্দে

Banews24 pic 28আবীর হাসান :বাংলাদেশের মানুষকে এখন ভাবতেই হচ্ছে - তারা কোন ভাষায় কথা বলবে। বাংলায় তো বলবে বটে কিন্তু তার ধরণটা কেমন হবে? অবশ্য পাঠক ভাবতে পারেন ভাষা নিয়েই যদি কূটকচাল তাহলে তা আগে মানে ফেব্রুয়ারি মাসে করা হলো না কেন? কারণ তো একটা আছেই, গত ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী বাংলা ভাষারই অভিনব এক ব্যবহার দেখিয়েছেন। ৭ মার্চ উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি ছন্দে ছন্দে বলে উঠেছিলেন - ‘নালিশ করে কী পেয়েছে? নালিশ করে বালিশ পেয়েছে, ভাঙা জুতার বাড়ি খেয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ বাড়িটা দিয়ে দিয়েছে।’ কারোর নিশ্চয়ই বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না এই ছন্দে ছন্দে কথা বলা কাকে উদ্দেশ্য করে। বিএনপি নেত্রী বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সপ্তাহে - পনেরো দিনে দেখা করেন, তাদের কাছে নালিশ করেন এই অভিযোগ করেই প্রধানমন্ত্রী ছন্দে ছন্দে বলে উঠেছিলেন উপরের কথাগুলো। ভাষণের মধ্যে বিএনপিকে সমালোচনা করে ছন্দে কথা আগেও বলেছেন এবং সবচেয়ে বেশি বলা। ছন্দবদ্ধ বাক্যটা সম্ভবত ‘বিএনপির দুই গুণ - দুর্নীতি আর মানুষ খুন।’ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আগে এই কথাটাই তিনি যেখানে গেছেন সেখানেই ভাষণে বলেছেন। তবে ৭ মার্চে তাকে বেশি ছন্দে পেয়ে বসেছিল, তিনি বেগম খালেদা জিয়া এবং বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বৈঠকের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আবার দেখি দুজনে বসে কূজনে কি কথা বলে।’ এর আগে টুকটুকে লাল শাড়ি আর এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে নিয়ে বললাম আমি চললাম। এসব কথাও বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে বলেছেন ‘বদু কাকা।’ উইট আছে বলতে হবে প্রধানমন্ত্রীর। তবে সবিশেষ ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ‘ছন্দভর’ হয়েছে বা ভাব এসেছে এবং বাংলায় সহজ বোধ্য ভাব প্রকাশের জন্য ছন্দের ব্যবহার যেহেতু শুরু করে দিয়েছেন সেহেতু এদেশের মানুষ সবাই যদি ছন্দে ছন্দে কথা বলার চেষ্টা করে তাহলে অবস্থাটা কেমন দাঁড়াতে পারে। সে কথা শেষে হবে।এখন অবশ্য এর জন্য আকাশ-পাতাল ভাবার কোনো প্রয়োজন নেই। সত্যজিৎ রায়ের গুপি গায়েন বাঘা বায়েন সিনেমার হল্লা রাজ্যের রাজা - প্রজা-মন্ত্রীদের কথা স্মরণ করলেই হবে। তবে প্রমিত বাংলা ভাষার কথা যারা বলেন সেই পন্ডিত ধরনের লোকদেরও বলি - একটু ভাবুন। ছড়া-ছন্দে প্রমিত বাংলা প্রচলন যখন হতেই চলেছে তখন অর্বাচীন-ইতর শব্দ এবং শ্লীল-অশ্লীল ইঙ্গিতের ধরণটা নিয়েও তো ভাবতে হবে। ছন্দের ব্যবহার তো এমনি হয়নি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে - নালিশের সঙ্গে বালিশের মিল হয়েছে, দুজনের সঙ্গে কূজনের মিল হয়েছে আর অবশ্যই এর মধ্যেই আছে খোঁচা এবং আদি রসাত্মক ইঙ্গিত।আসলে প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে বোঝাতে চেয়েছেন - বিএনপি নেতার কথাবার্তা-কাজকর্ম তো বটেই, নড়াচড়াও তার একেবারেই পছন্দ নয়। ৭ মার্চেও তিনি বাংলা কথা পরিষ্কার করে বোঝাতে পেরেছেন এবং মনের ঝালটাও পরিষ্কার করে ঝাড়তে পেরেছেন সন্দেহ নেই। এক্ষেত্রে হয়তো তিনি অবচেতনে বঙ্কিম চন্দ্রের উপদেশ মেনে চলেছেন।বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার ‘বাঙ্গাঁলা ভাষা’ প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘প্রথমে দেখিবে তুমি যাহা বলিতে চাও কোন ভাষায় তাহা সর্বাপেক্ষা পরিষ্কার রূপে ব্যক্ত হয়। যদি সরল প্রচলিত কথাবার্তার ভাষায় তাহা সর্বাপেক্ষা সুস্পষ্ট ও সুন্দর হয় তবে কেন উচ্চ ভাষার আশ্রয় লইবে? যদি সে পক্ষে টেকচাঁদ বা হতোমি ভাষায় সকলের অপেক্ষা কার্য সুসিদ্ধ হয় তবে তাহাই ব্যবহার করিবে। যদি তদপেক্ষা বিদ্যাসাগর বা ভুদেববাবু প্রদর্শিত সংস্কৃত বহুল ভাষায় ভাবের অধিক স্পষ্টতা এবং সৌন্দর্য হয় তবে সামান্য ভাষা ছাড়িয়া সেই ভাষার আশ্রয় লইবে। যদি তাহাতেও কার্যসিদ্ধ না হয় আরও উপরে উঠিবে, প্রয়োজন হইলে তাহাতেও আপত্তি নাই - নি®প্রয়োজনেই আপত্তি। বলিবার কথাগুলি পরিস্ফুট করিয়া বলিতে হইবে - যতোটুকু বলিবার আছে, সবটুকু বলিবে, তার জন্য ইংরেজি, ফার্সি, আরবি, সংস্কৃত, গ্রাম্য, বন্য, যে ভাষার শব্দ প্রয়োজন তাহা গ্রহণ করিবে, অশ্লীল ভিন্ন কাহাকেও ছাড়িবে না।’ (রচনাবলী পৃষ্ঠা ৩৭৩)।আজকাল প্রমিত কাব্য বাংলা ভাষা নিয়ে যারা অভিমান করেন তাদের কাছে খটকা লাগতে পারে কিন্তু বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সব ভাষায় দুয়ার খুলে দিতে বলেছিলেন, গ্রাম্য-বন্য পর্যন্ত যেতে বলেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী কি সেই দিকেই গেছেন? গ্রামে ছড়া কেটে ঝগড়া হয়, মাত্রা না মিললেও ছন্দ মেলানোর চেষ্টা হয়, বিশেষ করে অশ্লীল ইঙ্গিত দেয়ার জন্য। অথচ বঙ্কিম সব করতে বলেছেন ওই কর্মটি ছাড়া। এখানেই সমস্যা দেখা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের ছন্দে ছন্দে কথা বলায়। আবার এ প্রশ্নও স্বভাবতই ওঠে যে বঙ্কিম চন্দ্রই বা এতো ভাষার দুয়ার খোলার কথা বলেও অশ্লীলতার প্রসঙ্গটা এনেছিলেন কেন?কারণটা আর কিছুই নয় - তার সময়ে টেকচাঁদী আর হতোমি ধরনের ভাষাটাই বেশি ব্যবহার হতো। আর তাতে থাকতো ইতর শব্দ ও অশ্লীল ইঙ্গিত শুধু নয় সরাসরি আদি রসাত্মক কথাও। এছাড়া ওই ছন্দে ছন্দে পদ্য রচনাও হতো, গাওয়া হতো আখড়াই, হাফ আখড়াই গান, সঙ্গে চলতো খ্যামটা নাচ। বাবু কালচারের অদম্য বিলাস আর কি। বঙ্কিম বুঝেছিলেন, বাঙালীকে স্বাধীনতা দিলে মর্ম বুঝবে না সীমা অতিক্রম করবেই। শালীনতার সীমা রক্ষা করা বাংলা ভাষীদের জন্য খুবই কষ্টকর। এটা তো বোঝাই যাচ্ছে এখন পর্যন্ত বলার ভাষাটাকে কি বাঁচিয়েছেন রাজনীতিবিদরা?বঙ্কিম চন্দ্রের যুগ থেকে অনেক কাল গেছে, বাংলা ভাষা-ভাষীদের একটা আলাদা স্বাধীন দেশ হয়েছে। সেখানকার সংসদে বাংলা ভাষাতেই বক্তৃতা-বিবৃতি-প্রশ্নোত্তর হয়। মাঝে মাঝে সারাদেশের মানুষ অভিনিবেশসহ শোনে রাজনীতিবিদদের বক্তৃতা-বিবৃতি, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী, সরকারি বা বিরোধী দলের সিনিয়র নেতা-মন্ত্রীরা কী কথা বলেন তাই। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা আশাহত হন খিস্তি-খেউর গিবত শুনে। বিরোধী দল বা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে ভদ্র ভাষায় সমালোচনা না করে শীর্ষ রাজনীতিবিদরাই করেন কটূক্তি। নবম সংসদে ব্যাপারটা চরমে উঠেছিল দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি খিস্তি-খেউরে। দশম সংসদেও কমবেশি সে সব হচ্ছে এবং তা একতরফা করে যাচ্ছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দ। যারা সংসদে নেই তাদের বিরুদ্ধে চলছে এসব কটুক্তি। নবম সংসদের অনেক কটুক্তি এক্সপাঞ্জ হয়েছিল কিন্তু দশম সংসদে যা বলা হচ্ছে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে, তা কি এক্সপাঞ্জ হচ্ছে?হচ্ছে না। কারণ এই সংসদে যে আনুষ্ঠানিক বিরোধী দল তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন না ক্ষমতাসীন শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এখনোা তাদের টার্গেট নবম সংসদের বিরোধী দল। নির্বাচনে না আসা থেকে নিয়ে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড - সব ব্যাপারেই হুমকি-ধামকি-শাসানি ছাড়া কথা নেই, আর সে কথাগুলোও খিস্তি খেউর সমেত প্রতিটা শব্দ রেকর্ড হচ্ছে - হচ্ছে লিপিবদ্ধও। আগামীদিনে যখন ইতিহাস লেখা হবে তখন প্রামাণ্য যা আসবে বা পাওয়া যাবে, তাতে এই সব নেটিভ টোনের কথা ছন্দবদ্ধ গ্রাম্য পদ্য সবই থাকবে। অর্বাচীন শব্দগুলোও বাদ যাবে না।কাজেই তখন এই সব নেতাদের রুচিবোধ-শ্লীলতার মূল্যবোধ শারীরিক ভাঙা চোরা করার হুমকি এগুলোকে কীচোখে দেখবে নতুন প্রজন্ম বা আরও পরের প্রজন্ম?এই সব ছন্দবদ্ধ কথা বা হুমকি ধামকিকে এরা দেখবে নিছক সামন্ত মানসিকতা বা ইতর গ্রাম্যতা হিসেবে। ভিশন যাই থাক ২০১২ বা ২০৪১ এই সব লোকজন এই কালের প্রধানমন্ত্রীসহ - কেউই যে আধুনিক মানসিকতার ছিলেন না তারা অন্য কিছু না হোক সংসদের প্রসিডিং দেখেই বুঝে ফেলবে গণতন্ত্রের নামে কী করা হয়েছিল আর কী বলা হয়েছিল।এক্ষেত্রে আবার আমরা বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়কেই স্মরণ করতে চাই। কারণ ওই লোকটি অবশ্যই ‘জাতীয়তাবাদী’ ছিলেন এবং মেধাবীও ছিলেন আবার অকপটও ছিলেন, ছিলেন প্রতিবাদীও। বাঙালীর স্বভাব সম্বন্ধেও ছিলেন অকপট। সে কারণে ভাষার শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে তার ইংরেজি, আরবি-ফার্সি, গ্রাম্য, বন্য শব্দ চয়নের যে তাগিদ বা প্রয়োজনবোধ সেটির যে ভুল বোঝার অবকাশ আছে তা তিনি বেশ ভালো ভাবেই বুঝেছিলেন। ভাষার ব্যবহারে বা অপব্যবহারে বক্তব্য যে খেলো বা অগ্রহণযোগ্য হয়ে যায় ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের বিনাশ ঘটে এও তিনি বুঝেছিলেন, কাজেই ভাষা চয়নে নিয়ম শিথিলতার কথা ‘বাঙালা ভাষা’ প্রবন্ধে লিখলেও আবার যখন পাঠ্য পুস্তকে ছাত্রদের জন্য বিশেষভাবে লিখেছেন তখন তার বক্তব্য হচ্ছে - ‘মুখেই বলি আর লিখিয়াই বলি বলিবার সময় কথাগুলো একটু সাজাইয়া লইতে হয়। সাজাইয়া না বলিলে হয়তো তুমি যাহোক বলিতেছে সে তোমার সকল কথা বুঝিতে পারিবে না নয়তো সে কথাগুলো গ্রাহ্য করিবে না…।’ (রচনাবলী পৃষ্ঠা ৯২৮)।পাঠক এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে, প্রধানমন্ত্রী এবং তার বশংবদরা ইদানীং যা বলে চলেছেন তা নিয়ে ফান করছে সবাই এবং যাকে উদ্দেশ্য করে বলে চলেছেন তিনিও গ্রাহ্য করছেন না। গত ৯ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াও চেষ্টা করেছেন ছন্দে ছন্দে উত্তর দিতে, বলেছেন গোপালীর কপালী হওয়ার অপচেষ্টার কথা এবং ট্রেন ক্রেন দিয়ে তোলার কথা। কারণ ক্ষমতাসীনরা তাকে বলেছিলেন - তিনি ট্রেন মিস করেছেন।সবই হচ্ছে হালকা ভাষার ব্যবহার, যাতে রাজনীতি গণতন্ত্র বা আদর্শের লেশমাত্র নেই। আছে কেবল আঞ্চলিকতা, গ্রাম্যতা ও ব্যাকরণ দোষ। সাজানো গোছানোর ব্যাপার নেই - নেই আদর্শিক অবস্থান। বঙ্কিম চন্দ্র এ বিষয়টাও আঁচ করেছিলেন এবং তাই তার রচনাবলীর ৯৩৩ পৃষ্ঠায় আমরা পাই আর একটা মন্তব্য, যেখানে তিনি রচনার বা ভাষার সাহায্যে মত প্রকাশের পাঁচটি পরিত্যাজ্য দোষের কথা বলেছিলেন - এক. বর্ণশুদ্ধি, দুই. সংক্ষিপ্তি, তিন. প্রাদেশিকতা, চার. গ্রাম্যতা ও পাঁচ. ব্যাকরণ দোষ।অর্থাৎ মনোভাব প্রকাশের জন্য ভাষার মধ্যে ইংরেজি, আরবি, ফার্সি, গ্রাম্য বণ্য ভাষা ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু প্রাদেশিকতা বা আঞ্চলিকতা (গোপালী ধরনের) গ্রাম্যতা (অশ্লীল ইঙ্গিতে গেয়ো ঝগড়ার মতো বা খ্যামটা নাচিয়েদের মতো ছড়া কাটা) ব্যাকরণ জ্ঞানহীন অপরিমিতি বোধ নিয়ে কথা বলতে বা লিখতে নিষেধ করেছিলেন।অথচ সেই কাজগুলোই এখন হচ্ছে নেই লঘু-গুরু জ্ঞানও। প্রধানমন্ত্রী করছেন তার মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মোসাহেবরা করছেন, ইদানীং বিরোধীরাও প্রত্যুত্তর দিচ্ছেন। অর্থাৎ একটা গ্রাম্য অপরিশিলীত সংস্কৃতি গড়ে উঠছে এদের ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমেই। বঙ্কিমের সময় থেকে অনেক অনেক বছর কেটেছে, এর মধ্যে অনেক এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল অথচ আমরা আগাতে পারিনি। স্বাধীন দেশের মর্যাদাটাই আমরা রাখতে পারছি না। হাস্যকর এবং দুর্বিনীত আচরণের উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছি প্রতিনিয়ত। আর তাল গাছের মালিকানা বিতর্কে গণতন্ত্র তো কবে ভেগে গেছে। আর এই কথাটায় আমরা ছন্দে ছন্দে বলতে পারি -প্রধানমন্ত্রী ছাড়েন নাই তাল গাছের দাবিতাহাতেই খাইতেছে গণতন্ত্র খাবি।কিংবা বদু কাকা কনসেপ্ট নিয়েও ছন্দ হয় যেমন -কে যে কাকা কে যে ভাইআনন্দের আর সীমা নাই।অথবা ৫ জানুয়ারি নির্বাচন নিয়েই ছন্দ বলা যায় -দিবাস্বপ্নে দেখেছেন ভোটারের ঢলআসলে কেন্দ্রে ছিল দানবের দল।বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বেঁচে থাকলে হয়তো আমাকে জুতাপেটা করতে চাইতেন অর্বাচীন-ইতর শব্দ ব্যবহারের জন্য। কিন্তু কিছু তো করারও নাই আমাদের এই কালের প্রধানমন্ত্রী আমাদের এই রকমের ছন্দে কথা বলার পথ দেখাইয়াছেন, আমরা সেই পথ হইতে বিচ্যুত হই কী করিয়া।।

Bangla-Kotir
line seperator right bar ad
sunnati hazz
line seperator right bar ad
RiteCareFront
line seperator right bar ad

fb

line seperator right bar ad
starling front
line seperator right bar ad

Prothom-alo Ittafaq Inkilab
amardesh Kaler-Kontho Amader-Somay
Bangladesh-Protidin Jaijaidin Noya-Diganto
somokal Manobjamin songram
dialy-star Daily-News new-york-times
Daily-Sun New-york-post news-paper

line seperator right bar ad

 

 Post-Card

line seperator right bar ad
Rubya Front
line seperator right bar ad

Motin Ramadan front

line seperator right bar ad
 ফেসবুকে বিএনিউজ24
line seperator right bar ad
   আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...
line seperator right bar ad
banews ad templet
 
 
line seperator right bar ad
   ফটোগ্যালারি
  আরো ছবি দেখুন -->> 
line seperator right bar ad
 
    পুরাতন সংখ্যা
banews ad templet