শেষ মুহূর্তের গোলে ব্রাজিলের নাটকীয় জয়

kopaসান্তিয়াগো: টুর্নামেন্টের অন্যরকম ফেভারিট তারা। বিশেষ করে গত বিশ্বকাপের পর একটি বছর কার্লোস দুঙ্গার অধীনে দুর্দান্ত ফমে রয়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। টানা ১০ ম্যাচ জিতেছে সেলেসাওরা।

কোপা আমেরিকায়ও সে ধরণের অসাধারণ কিছু করে দেখানোর প্রত্যাশায় ছিল ব্রাজিল সমর্থকরা। তবে, যতটা ধারনা করা হয়েছিল ততটা মসৃন নয় কোপায় ব্রাজিলের পথ চলা।


কোপা আমেরিকার প্রথম ম্যাচেই পেরুর বিপক্ষে কার্লোস দুঙ্গার দল জয় পেয়েছে ঠিকই- তবে সেটা সহজ জয় নয়। অনেক নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচের শেষদিকে কষ্টার্জিত জয় পায় তারা।


গতরাতে কোপা আমেরিকার প্রথম রাউন্ডের গ্রুপ-সি’র খেলায় চিলিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পেরুকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল।  এটি ছিল ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ।


ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ-পাল্টাআক্রমণের গতিময় প্রদর্শনী একটি দারুণ ম্যাচের ইঙ্গিত দেয়। খেলার তিন মিনিটের মাথায় পেরুর কুয়েভার গোলটি ব্রাজিল সমর্থকদের চুপ করিয়ে দেয়। তবে তা কিছুক্ষণের জন্যই। দুই মিনিট পরই ম্যাচে সমতা আনেন ব্রাজিলের প্রাণভোমরা নেইমার।


এর পর দুই দলই ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখে। প্রথমার্ধ শেষ হয় এভাবেই। ম্যাচের শুরু থেকেই খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষা ছিল বেশ আক্রমণাত্মক। দ্বিতীয়ার্ধেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।


প্রথম কয়েক মিনিট পেরু কয়েকটি আক্রমণ করলেও ব্রাজিলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সেগুলো ভেস্তে যায়। ম্যাচের ৫২ মিনিটে পেরুর ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া নেইমারের একটি জোরালো শট বারে লেগে ফিরে আসে। এর পর হঠাৎ করেই যেন আরো চাঙ্গা হয়ে ওঠে ব্রাজিল।


নেইমারদের মুহুর্মুহু আক্রমণে পরের কয়েক মিনিট বল ছিল পেরুর অর্ধেই। যদিও বা মাঝেমধ্যে পেরু ঝটিকা পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে, ব্রাজিলের রক্ষণভাগের দেয়াল পার করতে পারেননি সানচেজরা।


খেলার ৬৮ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে নেওয়া ব্রাজিলের উইলিয়ানের জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন পেরুর গোলরক্ষক পেড্রো গ্যালিজ। এর পর ৭৫ মিনিটের মাথায় গোল করার চমৎকার একটি সুযোগ হারান নেইমার। প্রায় মাঝমাঠ থেকে বল পায়ে নিয়ে দারুণ ড্রিবলিংয়ে এগিয়ে যান নেইমার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় গোলের দেখা পাননি নেইমার।


৮৯ মিনিটে আবারো সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের জয়সূচক গোলে নেইমারের অবদান থাকবে না, এমনটা সাম্প্রতিককালে বিরল। অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটের মাথায় নেইমারের ডিফেন্স-চেরা পাস থেকে গোল করে দাঁতে নখ কাটতে থাকা ব্রাজিল সমর্থকদের স্বস্তির উল্লাসের উপলক্ষ এনে দেন ৭ নম্বর জার্সির ডগলাস কস্তা।


ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, ‘আমরা আশাই করেছিলাম কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হবো। এসব টুর্নামেন্টে আসলে এমনই হয়। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকায়। এখানে কাউকেই পিছিয়ে রাখা যায় না। তবে আমি বিশ্বাস করি, আমরা ভালো খেলেছি। আর জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করাটা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ।’

Adil Travel Winter Sale 2ndPage

খেলা : সকল সংবাদ

আজকের এই দিনে
স্মরণ-অবিস্মরণীয়-শহীদ-জিয়া
মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন: একেবারেই অপরিচিত ব্যক্তি শহীদ জিয়াউর রহমান কেবল অসীম দেশপ্রেম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, অকুতোভয় মানসিকতা, উদারহণযোগ্য  সততা, সর্বোপরি বাংলাদেশের...