সেরা সুন্দরী মনিকা বেলুচি

Monika হলিউডবাজ ওয়েবসাইট পরিচালিত এক জরিপে বিশ্বের সেরা ৩০ জন সুন্দরীর তালিকায় প্রথম স্থানে ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচি। সূত্র এনডিটিভি নিউজ। এছাড়া তালিকার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন মডেল কেইট আপটন এবং হলিউডি অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ও বলিউডি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। অন্যদিকে তালিকার ২৯তম স্থানে রয়েছেন দীপিকা।মনিকা বেলুচির মা মারিয়া গিসতিনেলি একজন চিত্রশিল্পী ও বাবা লুইগি বেলুচি একটি ট্রাকিং কোম্পানির স্বত্বাধিকারী ছিলেন। ১৬ বছর বয়সে লিসিও ক্লাসিসকোতে যোগদানের সময় মডেলিং শুরু করেন। বেলুচি তার পেশাজীবনে একজন আইনজীবী হতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি পেরুগিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনাদি পরিশোধ করতে মডেলিং করতেন।১৯৮৮ সালে বেলুচি ইউরোপের ফ্যাশন কেন্দ্র মিলান শহরে যান। সেখানে এলিট মডেল ম্যানেজমেন্টের সাথে যুক্ত হন। ১৯৮৯ সালে মডেল হিসেবে তিনি প্যারিস ও আটলান্টিক পেরিয়ে নিউইয়র্কেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি ডলসে এন্ড গ্যাব্বানা ও ফরাসি এলে ম্যাগাজিনে নানা ভঙ্গিমায় উপস্থিত হন।মনিকার অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৯০ এর দিকে। রাত অভিনীত প্রথম মুভি 'ওলা রিফা'। যেটি ১৯৯১ সালে মুক্তি পায়। এই ছবিতে তিনি পার্শ্ব অভিনেত্রী ছিলেন। ১৯৯২ সালে তার দ্বিতীয় মুভি 'অস্তকার অস ড্রারাকুলা' মুক্তি পায়। ১৯৯৬ সালে তিনি 'দ্য অ্যাপায়ার্টম্যান্ট' ছবির জন্য 'কেছার' পুরস্কারের জন্য নমিনেশন পান। অভিনয়ের আসনটি তিনি সেই বছরই পাকাপাকি করে নেন। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। সারা বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। উপহার দেন দর্শক মাতানো এবং পর্দা কাঁপানো ছবি অনেক মুভি। এক শ্রেণীর দর্শকদের তার অ্যাডালিটি টাইপ মুভির অন্ধ ভক্ত বানাতে তিনি সমর্থ হন।তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য মুভি: আন্ডার সাসপিশন (২০০০), মালেনা (২০০০), ইরিভার্সিবল (২০০২), দি ম্যাট্রিক্স রিলোডেড (২০০৩), দি ম্যাট্রিক্স রিভলিউশনস (২০০৩) ও দি প্যাশন অফ দি ক্রাইস্ট (২০০৪)। তার প্রিয় মুভি ডিরেক্টর ইটোর স্কোলার উনা জিওর্নাটা পার্টিওকোলারি (১৯৭৭)। তার প্রিয় কবিতা জিয়াকোমো লিওপার্ডির লেখা এ সিলভিয়া। একটি ইন্টারভিউতে তিনি জানান, সফিয়া লরেন ও ক্লডিয়া কার্ডিনাল তার অ্যাক্টিং ক্যারিয়ারকে দারুণভাবে ইন্সপায়ার করেছেন।